ষষ্ঠ দফা ভোটের মুখে মোদীর মোচড়, গরিষ্ঠতার অঙ্ক নিয়ে ‍ভক্তের সংশয়

0
narendra modi
নরেন্দ্র মোদী। ছবি সৌজন্যে ফার্স্টপোস্ট।
debarun roy
দেবারুণ রায়

একের পর এক দফা ভোট হয়ে চলেছে আর প্রধান সেবক নরেন্দ্র মোদী একটার পর একটা ইস‍্যু বদলে চলেছেন। তিনি ফিরে আসবেন, এই বিশ্বাসে যাঁরা অটল তাঁদেরই বারবার অকূল পাথারে ফেলে দিচ্ছেন। বুঝিয়ে দিচ্ছেন, এ বড়ো সুখের সময় নয়। নিজেকে নিয়ে তিনি নিজেও উভয়সঙ্কটে। দল তো বটেই, সংঘ এই অবস্থায় মোদীকে খুঁচিয়ে বিপদ বাড়াতে চাইবে কেন? কিন্তু সংঘপ্রিয় নিতিন গডকড়ি তো একটার পর একটা বোমা ফাটিয়ে চলেছেন! তাই বা কেন ঘটছে? নিতিনের উচ্চাকাঙ্ক্ষী অ্যাজেন্ডা? তা নিয়েও যথেষ্ট আলোচনা হয়েছে। আরও বিতর্কে ভ্রান্তি বাড়ালে লাভ কার?

হ্যাঁ, নিতিনকে বিশেষ পরিস্থিতির কথা ভেবে আরএসএস-ই মোদীর বিকল্প হিসেবে ভাসিয়ে রেখেছে, এ কথা বেশ কিছু দিন ধরেই শোনা যাচ্ছে। বলা হচ্ছে, বিজেপি একক ভাবে নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতা না পেলে এবং এনডিএ শরিকদের দাবিদাওয়া মিটিয়ে সরকার গড়া না গেলে বিকল্প নেতা হিসেবে গডকড়িকে তুলে ধরা হবে। তুলনায় নরমপন্থী এবং সংঘের চূড়ান্ত নিয়ন্ত্রণে থাকা গডকড়ি বৃহত্তর সমর্থনভূমি পাবেন। গডকড়ির বিবৃতিগুলো দেখলেই বোঝা যাবে এ কথা ভিত্তিহীন নয়। একেবারে সম্প্রতি বললেন, ব‍্যক্তি বড়ো নয়, দল ও দেশ বড়ো। আমাদের দল তো কখনোই এক জন ব‍্যক্তিকেন্দ্রিক নয়। বললেন, “রাজনীতিতে শত্রু বলে কিছু নেই। প্রতিপক্ষ আছে। এবং দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে আছে সমন্বয় ও সহযোগ।” বিজেপির প্রতিষ্ঠাতারা এ কথাই বলে এসেছেন। দাবি করেছেন, বিজেপি হল পার্টি উইথ আ ডিফারেন্স। পার্থক্যবিশিষ্ট দল। এবং নরেন্দ্র-অমিত যুগ শুরু হওয়ার আগে পর্যন্ত বিজেপিকে এমনই বিকল্প হিসেবে তুলে ধরেছিলেন বাজপেয়ী, আডবাণী, জোশীরা।

আরও পড়ুন কুকথার রেকর্ড, কেন মেজাজ হারাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

মোদীকে প্রধানমন্ত্রীর পদপ্রার্থী হিসেবে ২০১৪-য় ঘোষণা করার কিছু আগে থেকেই বিজেপিতে অভ‍্যন্তরীণ পরিবর্তনের সংকেত দেন সংঘের চালকরা। কর্পোরেট জগতেও তার প্রতিধ্বনি শোনা যায়। তখন সরকারে ক্রমশ কংগ্রেসের মুঠি আলগা হতে শুরু করেছে। বিকল্প সন্ধানে কান খাড়া রেখেছে কর্পোরেট। এখন সেই ২০১৪-র কংগ্রেসি দশায় অনেকটাই গ্রস্ত বিজেপি। একে তো ইনকাম্বেন্সি ফ‍্যাক্টর বা সরকারে থাকার দরুন জনপ্রিয়তায় টান, সেই সঙ্গে অচ্ছে দিন আনব বলে ক্ষমতায় এসেই সম্পূর্ণ উলটপুরাণ শোনানো। পাঁচ বছরে অচ্ছে দিনের অ-ও উচ্চারণ না করা; তিরিশ বছর পর প্রথম তাঁর নেতৃত্বে একটি দল লোকসভায় নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতা পেয়েছে, এই আহামরি ইতিহাসটি হজম করতে না পেরে নিজেকে এক অসাধারণ অতুলনীয় বিরল প্রতিভাশালী জনমোহনী অভূতপূর্ব জননায়ক বলে ভেবে নেওয়া; ধরে নেওয়া, তাঁর জনপ্রিয়তা এমন শক্তিশালী চুম্বকের মতো যে, মেরুকরণের ডাক দিলে তিনি হবেন ৮৫ শতাংশের হিন্দুহৃদয়সম্রাট, আর কংগ্রেস-সহ বিরোধীরা গুটিয়ে যাবে ১৫ ভাগে।

এই আত্মম্ভরিতা অহংকারে পরিণত হল নব‍্য ভোটারভক্তদের অজ্ঞতায়। জনজীবন সম্পর্কে অনাগ্রহী ও অরাজনৈতিক নবীন প্রজন্ম যেমন এ কালের যে কোনো শিশুশিল্পীকে অবলীলায় শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা দেয়। স্বর্ণযুগের গায়ক বা নায়কদের উচ্চতার নাগাল না পেয়ে সমকালের স্রোতে ভেসে আসা বামন অবতারের বন্দনা করে, ঠিক সেই মূল‍্যায়নের ফাঁক দিয়েই সেরা বাগ্মীও বনে গেলেন মোদী। বনবাসে গেলেন শ‍্যামাপ্রসাদ, তিনি তো অনেক দূর, এমনকি একই দলে মোদীর পূর্বসূরি অটলজিও। তাই শুধু সংসদে নয়, সমাজেও সর্ব অর্থে নিরঙ্কুশ হয়ে একে একে কংগ্রেসমুক্ত ভারতের ডাক, নেহরুকেই ধর্মনিরপেক্ষ শিবিরের মূল মাস্তুল ধরে নিয়ে লাগাতার প্রচার। একে একে  সাংবাদিকদের বর্জন ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ নানা নির্মোকের আড়ালে। প্রথা ভেঙে প্রশাসনের স্তরে পরিবর্তন, প্রধানমন্ত্রী ও পিএমও-র একক ক্ষমতাকে গণতান্ত্রিক অঙ্কুশের ধরাছোঁয়ার আওতা থেকে দূরে রাখা, এবং প্রশাসনিক কাঠামোর ভেতর পরীক্ষিত বিভিন্ন সংস্থা ও তাদের প্রতিনিধি এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ও পদাধিকারীদের সঙ্গে সংঘাত। পরিণামে কিছু পদাধিকারীর ইস্তফা বা অপসারণ এবং কিছু সংস্থার বিলোপ। এই সবগুলোই ঘটেছে গত পাঁচ বছরে এবং রাজনৈতিক মতবাদ হিসেবে হিন্দুত্বর নাম দেওয়া হয়েছে মোদীত্ব।

আরও পড়ুন কুর্তা, মিষ্টি এবং ঘুঙুর-সহ নানা মুদ্রায় মোদী, আঞ্চলিকরাই টার্গেট

সরকারের পাশাপাশি দলকেও একেশ্বরবাদীতে রূপান্তর করেছেন মোদী-অমিত। মার্গদর্শক নামে কার্যত কনডেমড্‌ সেল খুলে অটল, আডবাণী থেকে যশোবন্ত সিংহ, প্রভাবপ্রতিপত্তিশালী বটবৃক্ষের মতো প্রত‍্যেক প্রবীণকে সেখানে পুরে রাখা হয়েছে এবং এত দিনে একটাও বৈঠক না ডেকে, সংবাদপত্রের লেখাজোখাকে দেওয়ালের লিখন মানতে না চেয়ে একনায়কের প্রতিষ্ঠা অর্জন করেছেন। পঞ্চম দফার ভোট পর্যন্ত নরেন্দ্রভাই মঞ্চে দাঁড়িয়ে কার্যত মনোলগ করেছেন। পাঁচ বছর ধরে যে কোনো বক্তৃতায় প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গ পালটে ৫৬ ইঞ্চির ছাতি চিতিয়ে কংগ্রেসমুক্ত দেশ গড়ার জন্য হুংকার দিয়েছেন। মনমোহনের সঙ্গে সঙ্গে অমর্ত্যকেও উড়িয়েছেন। কোনো ধরনের বিরোধিতা সহ‍্য করেননি। তৎক্ষণাৎ তাঁর দলের পূণ্যশ্লোক পাত্ররা দেশদ্রোহী তকমা দিয়েছেন। বিদেশনীতির বৈশিষ্ট্য বদলের মতোই বিদেশে গিয়েও বিরোধী কুৎসায় বিরাম দেননি। প্রথা ভেঙে বিরোধীদের তরফ থেকেও খোঁচা খেয়ে তরজায় নেমেছেন। খুলে গিয়েছে কুৎসার কুৎসিত প‍্যান্ডোরা। রাজনীতির দেওয়াল থেকে নীতি শোভনতা মূল্যবোধ আর সৌজন্যের রঙিন পলেস্তারা জীর্ণ হতে হতে খসে পড়েছে। কেউ গ্রাহ‍্য করেনি। লাগাতার তিনি ও তাঁর দোসর সভাপতি শুধু মোদী মোদী করে গিয়েছেন। পাঁচ দফার ভোট শেষ হওয়ার পর সংঘের সতর্ক পর্যবেক্ষণ বক্তৃতার বিষয়আশয় ও পরিবেশনের ধরনধারন পর্যালোচনা না করে পারেনি। রণনীতি বদলের কথা এই সময় অর্থহীন হবে বুঝে বাচনটুকু বদলানোর কথা উঠেছে। এবং নমো টিভি নেমে পড়েছে মোদীর বক্তব্যে দল ও সরকারের মুখিয়া হিসেবে উচ্চারিত এমন কিছু কথা তুলে ধরতে যাতে তাঁর স্বভাবসিদ্ধ অহংকারের প্রতিফলন নেই। এ হেন নমো টিভিতেই অরুণ জেটলির ভাষ‍্য সহযোগে রাজনীতির নয়া বাজিগর বলে খ‍্যাত মোদীজির ওয়াটার অফ ইন্ডিয়া পরিবেশন চোখে পড়ল শুক্রবার। ফির একবার মোদী সরকার (বিজেপি বা এনডিএ সরকার নয়) লেখা মাইকস্ট‍্যান্ডে দাঁড়িয়ে ভাষণ দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। সদ‍্য অনুষ্ঠিত জনসভা, সে কথা প্রসঙ্গেই প্রমাণিত। বক্তৃতার শুরু, শেষ ও মধ্যপথে বারবার মোদী বলছেন, বিজেপির সরকার। বলছেন, বিজেপি এটা করেছে, ওটা করবে। বলছেন, আমাদের দলটা কোনো পরিবারের বা একার কথায় চলে না। যৌথ নেতৃত্বে চলে আমাদের বিজেপি। এমনই অসংখ্য ইদানীংকালে অশ্রুত সংলাপ। আডবাণীর দুর্গতির কারণ যতই হন না কেন, মোদী কিন্তু তাঁর রাজনীতি অনুসরণ করেন অক্ষরে অক্ষরে। যদিও বহু মরশুমের মসনদি হাওয়ায় ঋদ্ধ আডবাণীর শৈলী এখনও শুধু মোদী কেন তাঁর কোনো ছাত্রই রপ্ত করতে পারেননি।

মোদীর সেই ভাষণ শুনতে শুনতে জনতা একবারও জয় শ্রীরাম না বললেও মোদী নামের নামাবলি শুনিয়েছে। এবং তৎসত্ত্বেও ভাষণে মোদী এই করেছে, বা মোদী ওই করবে, মোদীকে ওরা ঘৃণা করে গরিব বলে, মোদী কাউকে ছাড়বে না – এ সব একবারও বলেননি। সব শেষে শুধু অভ‍্যাসের বশে আপনাদের এই চৌকিদার কখনও পাপীদের মাফ করবে না – এই লব্জটুকু ছাড়া। পাঁচ দফার ভোটের পর উত্তর ভারতের এমন এলাকায় দাঁড়িয়ে মোদী বলছে্‌ যেখানে তাঁদের সরকার নেই। যে কোনো কারণেই হোক, বালাকোটে না গিয়ে মোদী গেলেন বিকাশের সেই ‘নারা’য়। ‘সব কা সাথ সব কা বিকাশ। ইদানীং ভোটসভায় যে কথা প্রায় অপ্রাসঙ্গিক করে  তুলেছেন স্বয়ং মোদীই!

আরও পড়ুন হেমন্ত করকারে আর প্রজ্ঞা ঠাকুরের মেরুকরণ চান না মোদী?

না এখানেই শেষ হয়নি। পাঁচ বছর প্রধানমন্ত্রী থেকে রাজধানীর চৌহদ্দিতে পাঁচ মিনিটের প্রেস কনফারেন্সও করেননি, পেটোয়া পত্রকার ছাড়া পেশাগত কারণেও কোনো সংবাদজীবীকে সাউথ ব্লকের চৌকাঠ ডিঙোতে দেননি। বিশ্বস্ত দু-একটি সংস্থার প্রতিনিধি ছাড়া বিদেশ কিংবা স্বদেশ সফরে সঙ্গী হিসেবে কাউকে রাখেননি, যেটা সম্পূর্ণ আডবাণীর পরম্পরা। অনেকটা বেশি বুদ্ধিমত্তা ও কৌশলে বলীয়ান আডবাণীর বিশ্বস্তমণ্ডলী স্বভাবতই মোদীর চেয়ে অনেক গুণ বেশি ছিল। দেখা গেল শুধু জনসভায় সুর বদলেই স্বস্তি মেলেনি, সারা দিনের প্রচার সেরে রেসকোর্সের বাংলোয় ফিরে মোদী বসলেন লম্বা এক সাক্ষাৎকার দিতে। ভক্ত হিসেবে কৃতবিদ‍্য সাংবাদিক। উল্লেখ্য, সোশ্যাল মিডিয়ার পরিভাষায় ভক্ত বললেই মোদীভক্ত বোঝায়। সেই সাংবাদিক ও তাঁর প্রতিষ্ঠান কখনোই মোদীর সমালোচনার পথে পা রাখেননি। তবু সাংবাদিকের কর্তব্য ও আদর্শ অবস্থান প্রতিষ্ঠানবিরোধিতা। যদিও পেশায় এ নিয়ে সাপে নেউলে বিবাদ চলছেই অনন্তকাল ধরে। শুধু কেন্দ্র নয়, রাজ‍্যে রাজ‍্যেও অস্তিত্ব রক্ষার লক্ষ্যে বিভিন্ন সাংবাদিক ও তার প্রতিষ্ঠানকে তথাকথিত সাফল্য খোঁজার দৌড়ে শামিল হতে হয় মেরুদণ্ডের মূল্যে। সে দিনের সেই সাক্ষাৎকার যে হেতু তার অব‍্যবহিত আগের সমাবেশের মতোই দিল্লি ও পঞ্জাবের আসনগুলোর দিকে তাকিয়ে, তাই আসমানি অভিযান বা পাকিস্তানের বদলে দৈনন্দিন সমস্যা ও মাটিমাখা বাস্তবের গল্পই ছিল বেশি। অচ্ছে দিন-এর অনিচ্ছুক প্রসঙ্গ অচ্ছ‍্যুত রেখেই মুঙ্গেরিলাল কা সুনহেরা সপনা যতটা সম্ভব শোনানোর চেষ্টা। সেই আয়োজনের মধ্যেই বিরোধীদের বিরুদ্ধে শাণিত তীব্র কিছু মনরাখা প্রশ্ন আর নিরীহ নিবেদনের ফাঁকে সাংবাদিকের মুখে বিস্ময়কর ভাবেই শোনা যায় কু্শলী দু-একটা খোঁচা। অবশ্য সেগুলো নিঃসন্দেহে হতে পারে মোদীমঙ্গল কাব‍্যের মুখবন্ধ। কিন্তু শাসনের অহংকার পাছে আহত হয়, তাই উলটে খোঁচা মারেন মোদী। কিছুটা বোঝাতে চান ওই সাংবাদিক। এবং ফিরে যান জয়ধ্বনিতে।

প্রশ্ন ছিল, উত্তরপ্রদেশে ২০১৪-র বিস্ময় সংখ্যা ৭৩ যদি না ফিরে আসে? অথবা লোকসভার ম‍্যাজিক সংখ্যা ২৭২ যদি এ বার‍ অধরা থেকে যায়, তখন আপনার ‘প্ল্যান বি’ কী হবে? ইন্ডিয়া টুডের মলাটের মতোই কঠোর মুখে শীতল হাসি ফুটিয়ে মোদী বলেন, আরে ভাই এমন প্রশ্ন করবেন না যাতে ক’ দিন পরে ভিডিও দেখলে আপনারই বিসদৃশ লাগবে। তা ছাড়া আমি ভাবছি সাংবাদিক হিসেবে আপনার প্রতিষ্ঠার কথা। সরকার গড়ার কথা ভাবতে গিয়ে আপনি তো সাংবাদিকের প্রতিষ্ঠার প্রশ্নেই হাত ধুয়ে বসবেন! ফের পেশাগত দায়িত্ব ও শ্রোতা-দর্শকের আগ্রহের কথা ভেবে সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, সংখ্যা না পেলে সরকার গড়ার রণনীতি কী হবে তাঁর। মোদী বলে ওঠেন, সরকার ফির একবার হয়ে বসে আছে। কাজেই আমার এ টু জেড প্ল্যান সাজিয়ে বসে থাকার কিছু নেই। এ বার ভক্তিরসে গদগদ হয়ে সম্ভাব্য সব বিকল্প প্রধানমন্ত্রীদের দুয়ো দেওয়া ছাড়া আর কোনো পথ ছিল না ওই সাংবাদিকের। এবং তার পর মোদী কথিত সুসমাচার শোনা ও তা শুনে সায় দেওয়া ছাড়া আর কী-ই বা করণীয়?

আরও পড়ুন অচ্ছে দিনে আকলাখ আর দশলাখি স্যুট, পশ্চিমেই মহাজোটের সূর্যোদয়

এবং মোদী বলে যান, লাগাতার তাঁকে যে ভাবে আক্রমণ করেছেন নামদার (রাহুলকে এই নামে ডাকেন মোদী), তাতে রাজীব গান্ধীর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি তুললে অপরাধ? ইন্দিরা গান্ধী জীবিত নন। তাই বলে জরুরি অবস্থা জারি ও সারা দেশের লোককে জেলে পোরার কথা বলব না? শেষ পর্যন্ত পরিবারতন্ত্র বনাম আমজনতার লড়াই বলে নিজেকে গরিব হিসেবে ব‍্যাখ‍্যা করেন। যদিও নির্বাচনী প্রার্থী হিসেবে কমিশনকে দেওয়া বিবৃতিতে তিনি যে সম্পত্তির পরিমাণ ঘোষণা করেছেন তা কি কোনো গরিবের থাকে, এ প্রশ্ন করার এক্তিয়ার নেই কোনো সাংবাদিকের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here