কৃষকের জন্য ‘দেদার উপহার’ থাকতে পারে এ বারের বাজেটে

farmers and narendra Modi
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকার আগামী পাঁচ বছরে কৃষিক্ষেত্রের জন্য ব্যয়বরাদ্দ করছে ২৫,০০০০০ কোটি টাকা। সূত্রের খবর, আগামী ৫ জুলাই দ্বিতীয় নরেন্দ্র মোদী সরকারের প্রথম বাজেটে কৃষিক্ষেত্রের উন্নয়নে সেই বরাদ্দেরই প্রতিফলন ঘটতে পারে।

বাজেট পেশের প্রস্তুতিতে জোর কদমে কাজ চলছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকগুলিতে। মাসিক, বার্ষিক এবং পাঁচ বছরের পর্যায়ে আয়-ব্যয়ের আনুমানিক পরিসংখ্যান রচনার ব্যস্ততা সেখানে। একই সঙ্গে নতুন সরকারের প্রথম একশো দিনের কার্যপদ্ধতিও ঘনিষ্ট ভাবে জড়িয়ে রয়েছে বাজেটে উত্থাপিত প্রস্তাবনাগুলির সঙ্গে।

সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের মতে, গ্রামীণ অর্থনৈতিক পরিকাঠামোকে জোর ধাক্কা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকছে এ বারের বাজেটে। কৃষিক্ষেত্র তো বটেই, পাশাপাশি গ্রামীণ অর্থনীতির জাগরণে এমন কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে যার মধ্যে দেশের দীর্ঘমেয়াদি অগ্রগতির সম্ভাবনা রয়েছে। যেগুলির মধ্যে অন্যতম, কৃষকদের সামনে উৎপাদিত পণ্যের মুক্তবাণিজ্যের দরজা খুলে দিয়ে অধিক লাভের সুযোগ সৃষ্টি করা।

এ প্রসঙ্গে এক কেন্দ্রীয় আধিকারিক জানান, “কৃষকের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বাজারের যে শূন্যস্থানটি রয়ে গিয়েছে, প্রযুক্তির প্রয়োগে আমরা সেখানেই মেলবন্ধন ঘটানোর চেষ্টা করছি”।

কতকটা একই কথার অনুরণন শোনা গিয়েছে নতুন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের কথাতেও। তিনি বাজেট পূর্ববর্তী বক্তব্যে জানিয়েছেন, কৃষি বাজারের উন্নয়নকে অন্যতম লক্ষ্য হিসাবে নেওয়া হচ্ছে। কৃষকের সঙ্গে বাজারের বিভেদ সৃষ্টিকারী মাধ্যমগুলিকে মুছে ফেলার চেষ্টা চলছে। যে কারণে বাজার চলতি ধ্যানধারণার পরিবর্তে প্রযুক্তিগত উন্নতিসাধনের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

[ বাজেট তৈরির সূচনায় কেন ‘হালুয়া’ রাঁধেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী? ]

প্রসঙ্গত, গত মোদী-সরকারের শেষ দিকে ফসলের ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত কৃষকের ঋণ লাঘব করেছে একাধিক রাজ্য সরকার।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*


This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.