আয়করের হার থেকে পর্যায়, কী ভাবে বদলাতে পারে এ বারের বাজেটে?

Currency
প্রতীকী ছবি

ওয়েবডেস্ক: কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণের প্রথম বাজেট পেশের দিকে তাকিয়ে রয়েছে গোটা দেশ। বেশির ভাগ ভারতবাসীরই প্রত্যাশা, এ বারের বাজেটে সংস্কার হতে পারে আয়করের হার এবং পর্যায়ে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণাও তেমনটাই। তাঁদের মতে, সাধারণ নাগরিকরা চান করছাড়যোগ্য আয়ের পরিমাণ আড়াই লক্ষ থেকে বাড়িয়ে করা হোক পাঁচ লক্ষ টাকা। একই সঙ্গে আয়কর আইনের ৮০সি ধারায় করছাড়যোগ্য আয়ের পরিমাণ সরকার আরও কিছুটা বৃদ্ধি করুক।

তবে এটা তখনই সম্ভব, যদি অর্থমন্ত্রী দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে এই সমস্ত দাবিদাওয়া মেনে নেওয়া পথ ধরার সাহস দেখান।

ভোটের আগে অন্তর্বর্তী বাজেটে সরকার ঘোষণা করেছিল, করছাড়যোগ্য আয়ের পরিমাণ বাড়িয়ে করা হল পাঁচ লক্ষ টাকা। কিন্তু ভোট মিটে যাওয়ার পর নতুন করে পূর্ণাঙ্গ বাজেট ২০১৯-এ ওই নির্ধারিত পরিমাণ যে আরও বাড়ানো হবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। ইতিমধ্যে বিরোধী দলের শ্রমিক সংগঠনগুলি দাবি করেছে, করছাড়যোগ্য আয়ের পরিমাণ আট লক্ষ টাকা করা হোক। কিন্তু সেই দাবিতে সায় দেওয়ার তেমন কোনো সম্ভাবনা এই মুহূর্তে নেই বললেই চলে। পরিবর্তে যে আয়ের নাগরিক করের আওতায় পড়বেন না, তাঁদের জন্য আয়কর দাখিলের প্রয়োজনীয়তা কথা তুলে ধরতে পারে কেন্দ্র।

কারণ, অন্তর্বর্তী বাজেটে পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ব্যক্তিগত আয় করছাড়ের আওতায় পড়তে, এই আয়ের নাগরিক আয়কর দাখিলে অনীহা প্রকাশ করেছেন। যার প্রভাব পড়েছে আয়কর বিভাগের প্রকাশিত পরিসংখ্যানেও।

একই সঙ্গে অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ১০ লক্ষ টাকা আয়ের করদাতাদের করের হারে পরিবর্তন আসতে পারে। সে ক্ষেত্রে বর্তমানে লাগু ২০% থেকে ওই করল কমিয়ে ১০%-এ নিয়ে আসা হতে পারে।

অন্য দিকে ১০ লক্ষ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বার্ষিক আয়ের ক্ষেত্রে করের হার ৩০% শতাংশ থেকে ২০%-এ নিয়ে আসার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা।

যদিও পুরোটাই নির্ভর করছে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন দ্বিতীয় এনডিএ সরকারের সিদ্ধান্তের উপরই!

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*


This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.