yamaha motoroid

অটোডেস্ক: স্মার্ট ফোনের মতোই স্মার্ট বাইক! যার পোশাকি নাম মোটোরয়েড।

এই বাইকের সব চেয়ে বড়ো ফিচার মোটোরয়েড। সেল্ফ ব্যালান্সিং পদ্ধতিতে বাইকটি নিজের ভারসাম্য নিজেই রক্ষা করতে সক্ষম। এই পদ্ধতির অন্য একটি সুবিধা, গতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাইকের বাঁক নেওয়ার সময় খুবই মসৃণ ভাবে কাজ করবে মটোরয়েড। দ্বিতীয়ত এক ফেস-রিকোগনাইজেশন পদ্ধতি। বাইকের মালিক অথবা তাঁর পরিবারের সদস্যদের মুখের ছবি স্ক্যান করে নিতে পারে এই রিকোগনাইজেশন। ফলে চেনা লোকের স্বীকৃতি ছাড়া বাইককে নড়ানো মুশকিল হবে। অর্থাৎ যতক্ষণ পর্যন্ত না, আরোহীর মুখের ছবি স্ক্যান করে মিল খুঁজে পাচ্ছে, ততক্ষণ অ্যাক্টিভ মোডে আসবে না দু’চাকার চলযানটি।

আসনের পিছনের অংশের ডিজাইনও করা হয়েছে বৈজ্ঞানিক রীতি মেনে। যাতে বসার পর বাইকের নিয়ন্ত্রণ যেমন আরোহীর হাতের নাগালে চলে আসে তেমনই বাইকও তাঁর সমস্ত শক্তি দিয়ে আরোহীকে আপন করে নিতে পারে। সংস্থা জানিয়েছে, যাত্রীবাহী ছোটো গাড়ি থেকে শুরু করে বড়ো ট্রাকেও এখন অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সংস্থাপন করা হচ্ছে। তা হলে কেন পিছিয়ে থাকবে সাধারণের সব থেকে বেশি ব্যবহৃত এই দু’চাকা বাইক?

যে কারণে সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, মোটর বাইক এ বার অতীত হয়ে যাবে। তার জায়গা দখল করবে মটোরয়েড।

ইতিমধ্যেই টোকিও মোটর শো-তে প্রদর্শিত হয়েছে ইয়ামাহার মোটোরয়েড। ২০১৭-তে বাইকপ্রেমীদের মন জয়ের পর ৯-১৪ ফেব্রুয়ারি অটো এক্সপোয় চমক দেখাল এই নতুন প্রযুক্তি।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন