lionel messi

ওয়েবডেস্ক: শুধু মুখে বলে খালাস নয়, ওঁরা সরাসরি মাঠে নেমে লড়াই এগিয়ে নিয়ে গেছেন। উপায় নেই তাই এই পন্থা।  লাখ কথার এক কথা-সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে আঙুল ব্যাঁকাও। ওঁরা ডিটো তাই করেছেন। ওঁরা বলতে আর্জেন্তিনার পুয়ের্তো ম্যাডরিন জেলের ন’জন মার্কামারা আসামি। এঁরা লিড করছেন, প্রয়োজনে বাকিরা ঝাঁপাবেন।

সামান্য ব্যাপার, তিলকে তাল করার চেষ্টা, ইত্যাদি সাফাই গেয়ে জাস্ট পাশ কাটাচ্ছিলেন জেল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এঁদের দাবি পরিষ্কার, যেখানে গোটা বিশ্ব সংসার জাঁকিয়ে বসে বিশ্বকাপ উত্তেজনায় কাঁপছে, সেখানে কি না আমরা জেলবন্দিরা খেলা দেখতে পাব না?

তিন দিন ধরে কেবল টিভি আউট অব অর্ডার, কর্তৃপক্ষের নজরে আনা, কিন্তু সারানোর কোনো লক্ষণ নেই। তাই শুরু হাঙ্গার স্ট্রাইক। যত দিন না সমস্যা মিটছে অনশন চলবেই। এমনকী আইনের আশ্রয় পর্যন্ত নিয়েছেন, সেখানে তাঁদেরর পরিষ্কার বক্তব্য, যা অধিকারের মধ্যে পড়ে সেখানে এমন বৈষম্যমূলক আচরণ কেন?

মহামান্য আদালতের কাছে ওঁরা সুবিচারপ্রার্থী। ছোটোখাটো নয়, রিখটার স্কেলে বড়োসড়ো ভূমিকম্প, ছুটোছুটি পড়ে গিয়েছে জেল কর্তৃপক্ষের তরফে। তবে মন্দের ভালো, প্রথম ওঁরা মিস করেছেন। আর্জেন্টিনা আইল্যান্ড টপকাতে পারেনি, মেসির সাবু-খাওয়া শটে পেনাল্টি অপচয়, সব মিলে-ঝুলে এ কী হল, কেন হল?

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here