Arunava Gupta
অরুণাভ গুপ্ত

(দ্বিতীয় পর্ব) ছেলে মানুষ বলে সবকিছু উড়িয়ে দেওয়া চলে না। তারা যা দেখে তা মনে গেঁথে রাখে আর যা ভাবে তা করার জন্য পন করে। ২০১৮ বিশ্বকাপে এমন সব উঠতি দামাল ছেলেরা ফুটবলের নানান স্মৃতি আঁকড়ে হাজির হয়েছে রাশিয়ায়। লক্ষ্য তো একটাই আমাদেরও হতে হবে ওঁদের সমান।  এর কিছু ঘটনা ওরা চায় শেয়ার করতে।

আলিরেজা জাহান বখস (ইরান মিডফিল্ডার)

alireza

২০০৬ জার্মানি বিশ্বকাপ বাড়ির লোকজনদের সঙ্গে বসে জমিয়ে খেলা দেখছি। সে এক মধুর স্মৃতি কেন না হাফটাইমে বাবার হাত আমার মাথায় ভিজে গলায় বলেছেন, জানিস আমি উঠতে- বসতে স্বপ্ন দেখি তুইও, একদিন দেশের জার্সি গায়ে বিশ্বকাপ খেলছিস। আমরা তখন সবাই একসঙ্গে এভাবে দেখব। আমার ভিতর হু-হু করে উঠেছে। তখন ভাবিনি কিন্তু ৮ বছর বাদে সেই স্বপ্ন ফলল। বাবার স্বপ্ন আমার স্বপ্ন।

গ্যাব্রিয়েল জেসাস (ব্রাজিল মিডফিল্ডার)

gabriel

আমি ভীষণ গরিব ঘরের ছেলে। আধপেটা খেয়ে বড় হয়েছি। যেখানে থাকি সেটা আমাদের নিজস্ব শহর ফাভেলা। জার্ডিমপেরি সম্প্রদায়ের রীতি অনুসারে বিশ্বকাপকে স্বাগত জানাতে বাড়িতে বাড়িতে রাস্তায় হলুদ রং করতে হয়। আমি গত তিনটে বিশ্বকাপ রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে রং করেছি অবশ্যই অর্থের জন্য, খেতে তো হবে বলুন। এবার আমি ব্রাজিল স্কোয়াডে আছি। যদি রাশিয়ায় মূলপর্বে খেলার সুযোগ পাই তা হলে আমার অক্লান্ত পরিশ্রমের মুল্য পাব। আমার জন্য গডের কাছে প্রে করবেন প্লিজ।

ইগর অ্যাকিনফিভ (গোলকিপার/ রাশিয়া)

igor akinfeev

১৯৯৪ ইউএসএ বিশ্বকাপ। প্রথম বুঝি ফুটবলে কি অনুভূতি। রাশিয়া খেলছে ক্যামেরুনের বিরুদ্ধে। আমাদের ওলেগ স্যালানকো একাই দুমড়ে দিলেন ওদেরকে। রাশিয়ার জয় ৬-১-এর মধ্যে ৫ খানা স্যালানকোর। কোনোদিন ভুলব না।

আরও পড়ুন: এ বারের ফুটবলাররা শৈশবে যে ভাবে দেখেছেন বিশ্বকাপ

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here