final
Arunava Gupta
অরুণাভ গুপ্ত

২০০২ বিশ্বকাপে ব্রাজিল যে কেল্লাফতে করবে তা প্রায় সকলেরই মুখস্ত ছিল। তবু টিমে এক-আধজন থাকেন যিনি খেলার সঙ্গে এটাও মাথায় রাখেন দেশ যে জিতবে তা নিশ্চিত করা চাই এবং তার জন্য ওঁৎ পেতে বসে থাকা দরকার। গোল ফস্কাতে পারে কিন্তু পড়ে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগাতে না পারলে পস্তাতে হবে নির্ঘাত।

ব্রাজিলের রিভালডো ঠিক এই কাজটাই করেছেন। গ্রুপের খেলায় তুরস্ক বেশ দাপিয়ে খেলছে। রিভালডো কর্নার কিক নিতে বেকার সময় নষ্ট করছেন দেখে তুরস্কের হাকান ওনসাল রিভালডোর দিকেই বলটা কিক করেন। বল গিয়ে লাগে রিভালডোর থাইতে। ব্যস ওতেই কাফি। রিভালডো নাটকীয়ভাবে দু’হাতে মুখ ঢেকে যন্ত্রণায় মাটিতে আছড়ে পড়েন। রেফারি এক সেকেন্ড দেরি না করে হাকানকে লাল কার্ড দেখালেন, মাঠ থেকে বের করে দেওয়া প্লাস ব্রাজিলের অনুকূলে পেনাল্টি দিয়ে সব দায়িত্ব সেরে ফেললেন। রিভালডো পেনাল্টি থেকে গুছিয়ে গোল করলেন।

উরুগুয়ের লুই সুয়ারেজ ২০১০ বিশ্বকাপে ঘানা ম্যাচে একই পথের পথিক হয়েছেন। অতিরিক্ত সময় খেলার আর কয়েক মিনিট বাকি। ঘানা-র কর্নার কিক থেকে অসামান্য হেড করলেন দলের ডমিনিক আদিয়া, অবধারিত গোল হচ্ছে বুঝে সুয়ারেজ হাত দিয়ে বল থামালেন। ঘানা পেনাল্টি পেল। অন্য দিকে ইচ্ছাকৃত ভাবে হাত দিয়ে বল স্পর্শ করার অপরাধে সুয়ারেজ মাঠের বাইরে গেলেন।

আরও পড়ুন: ফিরে দেখা ফুটবল বিশ্বকাপ: বহুচর্চিত দু’টি সকার-বকার খিস্তি-খেউড়

টানেলে ঘাপটি মেরে বসে সুয়ারেজ ইষ্টমন্ত্র জপছেন- “এ যাত্রায় বাঁচাও প্রভু”। ঘানার অ্যাসামো গিয়ান বল সোজা বাইরে মারলেন- পেনাল্টি মিস। ধেই ধেই করে নাচছেন সুয়ারেজ। উরুগুয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে সেমিফাইনালে লাফাল। দেশের ব্যাপার সাতখুন মাপ।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here