Arunava Gupta
অরুণাভ গুপ্ত

হাঙ্গেরির কাছে হারলেও অঙ্কের হিসাবে সেমি ফাইনাল পাকা হয়ে গেল জার্মানির। কিন্তু এই মূলপর্বের ম্যাচে পুসকাসকে তারা অনেকটাই ভোঁতা করে দিল। তিনি ফাইনালে খেলবেন কি না, তা নিয়েই প্রশ্ন চিহ্ন উঠে গেল। পুসকাস কিন্তু আ্শা ছাড়েননি। এমনকী চিকিৎসকরাও বললেন, গোড়ালির অবস্থা ফিফটি-ফিফটি।

ওদিকে জার্মানি হাঙ্গেরিকে প্রস্তাব দিল, পুসকাস রাজি থাকলে তাঁকে খেলার উপযুক্ত করে তুলতে চিকিৎসার কাজে সব দিক থেকে সাহা্য্য করতে প্রস্তুত। তবে হাঙ্গেরির কাছে এটা জুতো মেরে গরু দানের মতোই ঠেকল। তারা এমন প্রস্তাব আসা মাত্রই এক বাক্যে না বলে দিল।

বার্নের ওয়াঙ্কডরফ স্টেডিয়াম, ৪ জুলাই, ১৯৫৪। দিনটা ছিল রবিবার, প্রায় ৬০ হাজার দর্শক উপস্থিত। সকাল থেকেই অঝোরে ঝরে চলেছে বৃষ্টি। থামার কোনো লক্ষণ নেই। ফুটবলার থেকে দর্শক-প্রত্যেকেই ভিজে কাকের মতো অবস্থা। খেলা শুরু হল, শেষও হল বৃষ্টির মধ্যেই। কিন্তু স্বপ্ন পূরণ হল না হাঙ্গেরির। খেলা শেষে ফলাফল জার্মানি ৩, হাঙ্গেরি ২।

খেলা শেষে জার্মানির অধিনায়ক ফ্রিজ ওয়াল্টারের হাতে জুলে রিমে ট্রফি তুলে দিলেন ফিফার বিদায়ী প্রেসিডেন্ট। যে দৃশ্য অনতিদূরে দাঁড়িয়ে দেখলেন পুসকাস।

উল্লেখ্য, ফ্রিজ ওয়াল্টার এবং অটোমার ওয়াল্টার শুধু মাত্র সহোদর নন, তাঁরা বিশ্বকাপ জয়ী জার্মানি টিমে এক সঙ্গে খেলেছেন। সেমি ফাইনালে অস্ট‌্রিয়ার বিরুদ্ধে দু’জনেই দু’টি করে গোল করেছেন। ফলাফল ৬-১।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here