footbal-italy
Arunava Gupta
অরুণাভ গুপ্ত

১৯ জুন, ১৯৩৮। প্যারিসের কলোম্বেস স্টেডিয়ামে ফাইনাল খেলছে ইতালি ও হাঙ্গেরি। ফাইনালের আগের দিন ইতালির ফুটবলারদের কাছে হঠাৎ এক টেলিগ্রাম এসে হাজির। যাঁর-তাঁর নয়। একেবারে খোদ ইতালির সর্বাধিনায়ক বেনিতো মুসোলিনির কাছ থেকে। লেখা আছে ছোট্ট দু-টি কথা। জেতো অথবা মরো। বোঝো, এমন ফতোয়া মাথার উপর ঝুললে অবস্থা কী হয়। অতএব ইষ্টনাম জপে ইতালীয় ফুটবলাররা ৬৫ হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে ময়দানে হাজিরা দিলেন।

চলল মরণপণ সংগ্রাম। খেলা শেষে ফলাফল ইতালি ৪, হাঙ্গেরি ২। হাঙ্গেরির গোলরক্ষক রসিকতা করে বলেন, ‘আমরা হেরেছি ঠিকই কিন্তু এটা বলুন, ইতালির ফুটবলারদের প্রাণ বেঁচেছে’।

এতো হল। এ বার ইতালিয়ান শিবিরের পরিস্থিতি কেমন ছিল খোঁজখবর নেওয়া যাক। দারুণ জয় এবং সন্দেহ নেই, যোগ্য দল জিতেছে। ফুটবলাররা আবেগাল্পুত, মিয়াজ্জা কেঁদে চলেছেন। অতিরিক্ত মনজেগলিও একই পথের পথিক। চোখ লাল। বিয়াভাতি হাতের উপর মাথা রেখে মাটিতে চোখ স্থির , অ্যান্ড্রিওলো থিতু হয়ে বসতে পারছেন না। একবার একে এক বার ওকে, জড়িয়ে ধরছেন। পিজ্জো উদাসীন। স্ট্যাচুর মতো দাঁড়িয়ে। ট্রেনারের বোতলের জল নাগাড়ে তাঁর জুতোর উপর পড়ছে। খেলায় নেই, একটা চাপা শঙ্কা, এক রাশ হতাশা দু:খ, বাতাস ভারী করে তুলছে।

আরও পড়ুন: ফিরে দেখা ফুটবল বিশ্বকাপ: করাত কলের দুর্ঘটনার শিকার ‘এক-হাতি ঈশ্বর’

টাটা বিশ্বকাপ। অন্তত এক ডজন বছরের জন্য। কারণ যুদ্ধ। ফুটবল সমাজের সব স্তরের মানুষের কাছে কতটা আপন, একটা নমুনায় প্রমাণিত। ইতালির ক্রীড়া দফতরের হোমরা-চোমরা ব্যক্তিত্ব ড. ওটোনিনো ব্যারসির কেন জানি মনে হল, নাৎসি বাহিনী সোনার জুলে রিমে ট্রফি নির্ঘাত এ বার গায়েব করবে। এদের হাত থেকে যেমন করে হোক ট্রফি রক্ষা করতে হবে।  কী ভাবে? পড়ুন ১৪ মে www.khaboronline.com -এ

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here