mesut ozil in mexico match world cup

ওয়েবডেস্ক: হেরো টিম নিয়ে বিশ্লেষণ ইন্টারেস্টিং আর সেই টিম জার্মানি হলে হটকেক। সত্যি যার ব্যাকগ্রাউন্ড এত ঝকঝকে তকতকে তার এমন ছন্নছাড়া ভাব অকল্পনীয়। ১৯৩৮ -২০১৪, কখনও গ্রুপ স্টেজে পা পিছলে পড়ে যায়নি জার্মানি, ১৯৫০ সালে তার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি ছিল, যেহেতু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির ভূমিকা থাকে। এ বার স্ক্যান্ডিনেভিয়ানদের কাছে আছাড় খেলে জার্মানির লম্বা রেকর্ড দৌড়ে  ‘ব্ল্যাক স্পট’ হাজার রাবার ঘষলেও ওঠার নয়।

শনিবার সুইডেনের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগেই জার্মানরা আশঙ্কা করছেন টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাওয়ার। মেক্সিকো ম্যাচে হারের দায়ে কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে ওজিলের মতো দক্ষ ফুটবলারকেও।

dead-frog

শোনা যাচ্ছে, এখন ওঁদের ফুটবলারদের চৈতন্য হয়েছে, নিজেকে শোধরালে হবে না , সবাইকে শোধরাতে হবে এবং মাঠে যাঁর যা কাজ একশো ভাগ দেওয়া চাই, এটা নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু প্ৰশ্ন, এই সব বেদবাক্য কোথায় ছিল? ঘটনা হল এমন ঢিমেতালে ছুটলে গোল দূরের কথা হামাগুড়ি দিতে হবে। গন্ডায়-গন্ডায় মিস পাস, বল আয়ত্তে না রাখা, রক্ষণ-মাঝমাঠ -আক্রমণ সেতু তৈরি না হলে বল গগনে-গগনে ঘুরবে এ তো জানা কথা। জার্মানির টাটকা-উইংগার ভার্নার, মিডফিল্ডার ক্রস আজও যদি মাঠে ইভনিং ওয়াক করেন এবং থমাস মুলারের অভিজ্ঞতা পাত্তা না পায় তা হলে জার্মানবাসীকে প্রস্তুত থাকতে হবে এয়ারপোর্টে টিম রিসিভের জন্য। এমন সব সম্ভাবনার কথা বলছেন প্রাক্তন জার্মান ফুটবলাররা। অন্য দিকে সুইডেন অধিনায়ক আন্দ্রেয়াস পর্যন্ত বিজ্ঞ সেজে বলেছেন, আমরা ভেবেছিলাম জার্মানির গ্রুপে শীর্ষে থাকা কেউ আটকাতে পারবে না। বড্ড প্যাঁচে পড়ে গেছে জার্মানি।

মেক্সিকোর বিরুদ্ধে হারের পর মেজাট ওজিলকে একহাত নিচ্ছেন প্রাক্তন জার্মান ফুটবলাররা। আর্সেনালের অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার কোনো অর্থেই আশা পূরণ করতে পারেননি। দেশকে দু-বার বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে তোল মারিও বাসলার তাঁকে কঠিন ভাষায় আক্রমণ করেছেন। মারিও বলেছেন, “মাঠে ওজিলকে দেখে মনে হয়েছে মরা ব্যাঙ”।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here