ক্রোয়েশিয়া-৪(৩)      ডেনমার্ক-৩(২)

ওয়েবডেস্ক: হিসেবি ইউরোপিয়ান ফুটবল। রাত জেগে যে খেলা দেখা, শাস্তি বলেই মনে হতে পারে যে কারও। ম্যাচের এক মিনিটেই গোল কের এগিয়ে গিয়েছিল ডেনমার্ক। তালেগোলে। চার মিনিটে সে গোল শোধ করে দেয় ক্রোয়েশিয়া। তারপর গোটা ম্যাচ ও অতিরিক্ত সময় জুড়ে বিরক্তিকর, হিসেবি ফুটবল। ব্যক্তিগত দক্ষতায় অনেক এগিয়ে থাকা ক্রোয়েশিয়াও নাগারে হিসেবি ফুটবল খেলে গেল স্রেফ ডেনমার্কের লড়াকু ঐতিহ্যের কথা ভেবে। এমনকি লুকা মদরিচও অনেকটা নেমে খেললেন।

যাক সে কথা। অতিরিক্ত সময়ে আক্রমণ বাড়িয়েছিল ক্রোয়েশিয়া। এর মধ্যেই ১১৪ মিনিটের মাথায় মদরিচ একটি ঠিকানা লেখা পাস দেন রেবিচকে। গোল যখন নিশ্চিত, তখনই হয় ফাউল এবং পেনাল্টি। এবং কি আশ্চর্য! মদরিচের পেনাল্টি আটকে দেন ক্যাসপার স্কেমিকেল। প্রাক্তন বিশ্বসেরা গোলরক্ষক ও ক্যাসপারের বাবা পিটার চখন গ্যালারিতে। সেই অবস্থাতেই খেলা শেষ হয়। শুরু হয় টাইব্রেকার।

আর সেই টাইব্রেকারে সর্বোচ্চ মানের গোলকিপিং-এর নিদর্শন দেখল গোটা দুনিয়া। দুই দলেরই প্রথম ও তৃতীয় শট সেভ করলেন দুই গোলরক্ষক। এর মধ্যে অবশ্য গোল করতে ভুল করেননি মদরিচ। টানটান উত্তেজনার পরিস্থিতিতে ডেনমার্কের পঞ্চম শটটিও আটকে দেন ক্রোয়েশিয়ার গোলরক্ষক সুবাসিচ। শেট শটটি থেকে গোল করতে ভুল করেননি রাকিতিচ।

৬ জুলাই কোয়ার্টার ফাইনালে রাশিয়ার সামনে ক্রোটরা।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here