ক্রোয়েশিয়া-২       ইংল্যান্ড-১

ওয়েবডেস্ক: সেই ১৯৬৬ সালে ঘরের মাটিতে নানা বিতর্কিত ঘটনা ঘটিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ব্রিটিশরা। তারপর শুধুই খরা। মাঝে ১৯৯০ সালে সেমিফাইনালে ওঠা। ব্যস। পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে ১০ বছরের মাস্টার প্ল্যান বানিয়েছে ইংরেজরা। জুনিয়র স্তর থেকে ঝাড়াই বাছাই ও প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে ফুটবল তুলে আনার। ইংল্যান্ডের ফুটবল ফেডারেশনের সেই প্রোজেক্টের নাম মিশন ২০২২। সংগঠনের একটি ঘরের ঘড়িতে সময় স্থির। কাতার বিশ্বকাপের ফাইনাল শেষ হওয়ার সময়টা লেগে রয়েছে সেখানে।

সেই প্রোজেক্টের ফলও পেয়েছে ব্রিটিশরা। গত বছর অনূর্ধ্ব ১৭ ও অনূর্ধ্ব ২০ বিশ্বকাপ জিতেছে তাঁরা। কিন্তু সিনিয়র বিশ্বকাপ শেষে হয়ে গেল সেমিফাইনালেই। মাস্টার প্ল্যানের লক্ষ্যমাত্রার চার বছর আগেই দেশকে সাফল্য এনে দিতে পারলেন না হ্যারি কেনরা।শুধু পারলেন না তাই নয়। খেলার দ্বিতীয়ার্ধ থেকে অতিরিক্ত সময় শেষ হওয়া পর্যন্ত অত্যন্ত সাধারণ দেখাল তাঁদের। দলের কঙ্কাল বেরিয়ে পড়ল।

উলটো দিকে প্রথমার্ধের ৫ মিনিটে ট্রিপিয়ারের দুরন্ত ফ্রিকিকে গোল খাওয়ার পর খেলা থেকে হারিয়ে গেছিলেন ক্রোটরা। প্রথমার্ধে মদরিচদের খুঁজেই পাওয়া যাচ্ছিল না। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে দেখা গেল ফুটবল শুধু তারুণ্য আর গতির খেলা নয়। অভিজ্ঞতা আর দক্ষতারও খেলা। শিল্প সুষমারও। যা দিয়ে ৬৮ মিনিটে খেলায় সমতা ফিরল। এদিন সবকিছু ঠিকঠাক হলে পেরিসিচের হ্যাটট্রিকে ৮০ মিইটেই ৩-১ গোলে জিতে যেতেন রাকিতিচরা। সেটা হয়নি। অপেষক্ষা করতে হয়েছে ১০৯ মিনিটে পেরিসিচের হেড থেকে মান্ডজুভিচের গোল অবধি।

ব্রিটিশদের যেমন মাস্টার প্ল্যান সফল করার জন্য অপেক্ষা করতে হবে ২০২২ অবধি।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here