ওয়েবডেস্ক: হয়তো তিনি পুতিন কিংবা ওবামার মতো জনপ্রিয় নন। কিন্তু ক্রোয়েশিয়ার দক্ষিণপন্থী প্রেসিডেন্ট কোলিন্ডা গ্রাবার কিতারোভিচ নাম কিনেছেন দুনিয়ার সবচেয়ে ‘সেক্সি’ প্রসিডেন্ট হিসেবে। সি বিচে তাঁর বিকিনি পরা ছবি, তাঁকে দিয়েছিল এই তকমা।

রাজনৈতিক অস্থিরতা চলছে বর্তমান ক্রোয়েশিয়ায়। আগামী বছর নির্বাচন। এই অবস্থায়, অনেকেই মনে করেন নিজের জনপ্রিয়তা বাড়াতেই রাশিয়ায় হাজির হয়েছেন কোলিন্ডা। কারণ, গারিদ্র ও রাজনৈতিক সংকটে দীর্ণ ক্রোয়েশিয়াকে ফুটবলই পারে কিছুটা ঐক্যবদ্ধ রাখতে। তাই এবারের বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়ার চমৎকার পারফরম্যান্সের সুযোগ নিতে চেশ্টার খামতি রাখছেন না কোলিন্ডা। রাশিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচের দিন তাঁরা সারা৭ণ দেখা গেছে গ্যালারিতে দেশের জার্সি পরে গলা ফাটাতে। কিন্তু তার আগে?

দ্বিতীয় রাউন্ডে লুকা মদরিচরা ডেনমার্ককে হারানোর পর কোলিন্ডা হঠাৎই চলে যান ক্রোট শিবিরে। কোনো ঘোষণা ছিল না। ফুটবলাররা অপ্রস্তুত হয়ে যান। কারণ তখন তাঁরা বেশিরভাগই অন্তর্বাস বা শর্টস পরেছিলেন। কোলিন্ডা প্রথমে কোচ জল্যাটো ডালিচকে দীর্ঘক্ষণ জড়িয়ে ধরে থাকেন। তারপর ছড়ানো ছেটানো জুতো-মোজা-শিনপ্যাড-জলের বোতল পেরিয়ে বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়কে আলিঙ্গন করেন। সে সময় লেফট ব্যাক ইভান স্ট্রিনিচের মতো কেউ কেউ তো ক্যামেরার সামনে আসার মতো অবস্থাতেই ছিলেন না, রাষ্ট্রপতি তো বহু দূরের কথা।

আরও পড়ুন: মডেলের পয়মন্ত নিতম্ব কি ইংল্যান্ডকে ফাইনালে তুলতে পারবে? দেখুন ভিডিও নিজের চোখেই!

বিশেষত মদরিচকে অনেকক্ষণ জড়িয়ে ধরে থাকেন কোলিন্ডা। ব্যাপারটা কারও নজর এড়ায়নি। কারণ, দেশের ফুটবল সংস্থার বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলায় মিথ্যা সাক্ষ্য দিয়েছেন তিনি। কারণ মামিচ তাঁকে এককালে বেআইনি ভাবে ক্লাব বদল করতে সাহায্য করেছিলেন। সেই কর্তা মামিচ পালিয়েছেন দেশ ছেড়ে। মদরিচের বিচার শুরু হবে বিশ্বকাপের পরেই। প্রেসিডেন্ট কোলিন্ডার সঙ্গে মামিচের সম্পর্ক খুবই ভালো।

য়াই হোক না কেন, প্রেসিডেন্টের টোটকা যে ভালই কাজে দিয়েছে, তা তো রাশিয়া ম্যাচেই বোঝা গেল।

আরও পড়ুন: রাশিয়াকে হারানোর পর ফুটবলারদের কী উপহার দিলেন ক্রোয়েশিয়ার ‘বিকিনি’ প্রেসিডেন্ট

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here