eng-crofinal

ওয়েবডেস্ক: দেখতে দেখতে বিদায়ের পথে বিশ্বকাপ। আর মাত্র চারটি ম্যাচ তার পরেই এ বারের মতো বিশ্বকাপকে বিদায় জানাবে ফুটবলপ্রেমীরা। কাপ জেতার লড়াইয়ে বাকি চারটি দল। চলতি বিশ্বকাপকে নিয়ে নতুন কিছু বলার নেই। অঘটনের স্বীকৃতি পেয়েছে পুতিনের দেশে চলা কাপ-যুদ্ধ। বড়ো দলগুলির ক্রমাগত বিদায় আগে হয়তো খুব একটা দেখা যায়নি। তবে ছোটো দলগুলির সাধ্যমতো লড়াই কিন্তু দেখার মতো। কিন্তু এই সবের মাঝেও যারা দলগত সংহতিকে কাজে লাগিয়ে সাফল্যের মুখ দেখে তারাই সেমিতে। ফ্রান্স, বেলজিয়াম, ক্রোয়েশিয়া এবং ইংল্যান্ড।

মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে এই যুদ্ধ। প্রথম সেমিতে মুখোমুখি ফ্রান্স-বেলজিয়াম। অন্য দিকে বুধবার মুখোমুখি ইংল্যান্ড – ক্রোয়েশিয়া। এই মুহূর্তে এই দু’টি ম্যাচের হাইপ অনুযায়ী কিছুটা এগিয়ে দ্বিতীয় সেমিফাইনালটি। আপনারা হয়তো ভাববেন ব্রাজিল-আর্জেন্তিনাকে হারানো বেলজিয়াম- ফ্রান্স ম্যাচটির চাহিদা বেশি হওয়ার কথা। কিন্তু তা না হয়ে দ্বিতীয়টি? হ্যাঁ, যার কারণ অবশ্যই ইতিহাস।

এখনও পর্যন্ত মোট সাত বার মুখোমুখি হয়েছে এই দু’দল। পাল্লা অবশ্যই ভারী ব্রিটিশদের। চারটি জয়, দু’টি হার এবং একটি ড্র। কিন্তু তা সত্ত্বেও কিছুটা চাপে ইংল্যান্ড। কিন্তু কেন? মানসিক ভাবে তাদেরই তো এগিয়ে থাকার কথা।

অনেকেরই হয়তো এই মুহূর্তে ঠিক মনে নেই। কিন্তু আজ থেকে প্রায় ১১ বছর আগে, ২০০৭ সালে, ইউরো ২০০৮ কোয়ালিফায়ারে মুখোমুখি হয়েছিল ইউরোপের এই দুই দল। ইউরো খেলার জন্য ম্যাচটি ড্র রাখলেই মূলপর্বে চলে যেত ইংল্যান্ড। কিন্তু পিছিয়ে পড়ে সমতা ফিরিয়েও শেষমেশ হারতে হয় তৎকালীন ব্রিটিশ কোচ স্টিভ ম্যাকক্লারেনের দলকে। ফলে ইংল্যান্ড যে মূলপর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয় সেই নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই।

অবশ্য তার পরেও, ২০১০ বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে দু’বার মুখোমুখি হয়েছিল তারা। দু’বারই বড়ো ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নেয় থ্রি-লায়ন্স। কিন্তু ওয়েম্বলিতে হারের সেই স্মৃতি আজও ব্রিটিশদের কাছে খুব বেদনাদায়ক। ফলে বুধবারের দ্বিতীয় সেমিতে সেই ইতিহাস যে বাড়তি মাত্রা যোগ করবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

এখন দেখার শেষমেশ ক্রোয়েটদের হারিয়ে ফের বিশ্বকাপ জয়ের পথে নিজেদেরকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন কি না ব্রিটিশরা।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here