ইংল্যান্ড-৫(৪)      কলম্বিয়া-৪(৩)

ওয়েবডেস্ক: ১২০ মিনিটের খেলায় হামেশ-হীন কলম্বিয়া প্রায় কিছুই করেনি। মারামারি ছাড়া। অতিরিক্ত সময়ে কলকাতা মাঠের মতো ডান দিক, বাঁ দিক থেকে কয়েকটা ক্রস তুলে হেডে গোল করার চেষ্টা করেছিল। আর একবার, ইনজুরি টাইমে একটা ভালো কর্নার। যেটা থেকে ডিফেন্ডার ইয়েরি মিনা হেডে গোল দিয়ে কলম্বিয়াকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন। ডিফেন্স থেকে উঠে এক বিশ্বকাপে তিনটি হেডে গোল দিলেন বার্সেলোনার এই ডিফেন্ডার। এটা কোনো রেকর্ড কিনা, এখনও জানা যায়নি। তবু সেই গোলটাও হয়েছিল, শেষ দিকে ইংল্যান্ড কিছুটা গা-ছাড়া দিয়েছিল বলে।

যাই হোক, কলম্বিয়ার বিরক্তিকর ফুটবল সত্ত্বেও ব্রিটিশরা কিন্তু ম্যাচে তেমন কিছুই করতে পারেননি। দ্বিতীয়ার্ধের মাঝে স্যাঞ্চেজ অকারণ ফাউলটা না করলে পেনাল্টি থেকে বিশ্বকাপে হ্যারি কেনের ষষ্ঠ গোলটা হত না। তারপর কী যে হত, কে জানে!

তারপর যেটা হল, সেটা ইতিহাসের চাকা ঘুরিয়ে দেওয়ার মুহূর্ত। এর আগে তিনবার বিশ্বকাপে টাই ব্রেকারে হেরেছিল ব্রিটিশরা। এদিন জিতল। তাও কলম্বিয়ার গোলকিপার অসপ্রিনা একটা গোল আটকে দেশকে অ্যাডভান্টেজ এনে দিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর দুই সতীর্থ বাজে মারলেন। একজন ক্রসবারে, অন্যজনের শট সেভ করলেন গোলকিপার। কোয়ার্টার ফাইনালে সুইডেনের সামনে ব্রিটিশরা।

আগের বারের গোল্ডেন বুট জয়ী এবং এবারের বিশ্বকাপের সেরা পাস দেওয়া হামেশ রডরিগেজ সবটাই গ্যালারিতে বসে দেখলেন। তাঁর কাফ মাসলের চোট সারেনি যে। দল কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলে হয়তো খেলতেন।

 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here