engswefinal

সুইডেন – ০                              ইংল্যান্ড – ২

ওয়েবডেস্ক: ফ্রান্স-উরুগুয়ের মধ্যে প্রথম কোয়ার্টার ফাইনাল যদি টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা বোরিং ম্যাচ হয়, তাহলে কোনো অংশে পিছিয়ে নেই শনিবারের ইংল্যান্ড-সুইডেন ম্যাচটিও। ২৮ বছর পর বিশ্বকাপ সেমিতে থ্রি-লায়ন্স কিন্তু এতো ম্যাড়ম্যাড়ে ম্যাচ দেখতে বসে যে কোনো ফুটবলপ্রেমী দর্শকের ঘুম আসতে বাধ্য। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এই ধরনের ম্যাচে গোল, ধড়ে প্রাণ আসার মতো। যারা ম্যাচটি দেখেছেন তারা এককথায় কখন ম্যাচটি শেষ হবে সেই আশায় যে ছিলেন তা চোখ বন্ধ করে বলে দেওয়া যায়।

রক্ষণ সামলে শুরুতে পজিশনাল ফুটবল শুরু দু’দলের। কুড়ি মিনিট লাগে ইংল্যান্ডের প্রথম সুযোগ তৈরি করতে। স্টারলিংয়ের দেওয়া সুযোগ কাজে কাগাতে ব্যর্থ হন টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতা হ্যারি কেন। সুইডেন যা খেললো তার চেয়ে আমার,আপনার পাড়ার দলও এর থেকে কিছুটা ভালো খেলবে। এই ধরনের ম্যাচে দলে একটা সেটপিস মুভমেন্ট দরকার উতরে যাওয়ার জন্য। হলও তাই। তিরিশ মিনিটে কর্নার থেকে আসে বলে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন হ্যারি ম্যাগুয়ার। বিরতিতে যাওয়ার আগে, সুযোগ পেয়েছিলেন আক্রমণ ভাগের স্টারলিং কিন্তু সঠিক সময় সুযোগ কার্যকর করতে ব্যর্থ হন।

দ্বিতীয়ার্ধে শুরুতে কিছুটা খোলস ছেড়ে বেড়িয়ে আসলেও ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে থাকে সুইডেন। যার কারণ ব্যবধান বাড়ানোর জন্য আক্রমণে চাপ বাড়াতে থাকে ব্রিটিশরা। ফলে পনেরো মিনিটের মাথায় দলের হয়ে ব্যবধান বাড়ান ডেলে আলি। দু’গোলে যে ম্যাচ হাতের বাইরে চলে গিয়েছিল তা সুইডিশরা ভালোই বুঝেছিলেন। তবুও একটা শেষ চেষ্টা চালাচ্ছিলেন কিছু ফিরে পাওয়ার জন্য। ম্যাচ শেষ হওয়ার মিনিট কুড়ি আগে দিনের সবথেকে সহজ সুযোগটি পেয়েছিলেন সুইডেনের মার্কাস বার্গ। কিন্তু তাঁর গোলমুখ শট বাঁচিয়ে দেন ব্রিটিশ গোলকিপার পিকফর্ড।

ফলে, “ইটস কামিং হোম” স্বপ্ন বাস্তব হতে আর মাত্র দু’টি ম্যাচ ইংল্যান্ডের।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here