francechampionfinal

ফ্রান্স – ৪                     ক্রোয়েশিয়া – ২

ওয়েবডেস্ক: স্কোরলাইন দেখলে হয়তো মনে হবে সারা ম্যাচ প্রাধান্য রেখে জয় পেয়েছে ফ্রান্স। কিন্তু বাস্তবে তা একটুও নয়। সারা ম্যাচ জুড়ে আধিপত্য দেখিয়েছে ক্রোয়েশিয়া। সহজ ভাষায় বলতে গেলে খেলল ক্রোটরা জিতল ফরাসিরা। যদিও মানতেই হবে নিজেদের দোষেই গোলগুলো খেয়েছে ক্রোয়েশিয়া আর প্রতিটি সুযোগ কাজে লাগিয়েছে ফ্রান্স।  ফলে ১৯৫৮-র পর থেকে ২০ বছর অন্তর নতুন কোন দেশের বিশ্বকাপ জেতা হল না ঠিকই। কিন্তু সেই ২০ বছর পরই নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ঘরে তুলল লেস ব্লুসরা।

ম্যাচ নিয়ে নতুন করে অবশ্য কিছু বলার নেই। কিন্তু নজর কেড়েছে ক্রোয়েশিয়ার হার-না-মানা মনোভাব। যে কোনো ম্যাচে আত্মঘাতী গোল মানসিক ভাবে চাপে ফেলে দেয় সেই দলকে। কিন্তু ক্রোটরা তা একবারও বুঝতে দেয়নি। বরং পিছিয়ে পড়ে আক্রমণ বাড়িয়ে ফল পেয়ে যায় তারা। সৌজন্যে পেরিসিচ। তবে বিরতিতে যাওয়ার মিনিট সাতেক আগে রেফারির ভিআরএস পদ্ধতির সাহায্য নিয়ে ফ্রান্সকে পেনাল্টি দেওয়া সবাই হয়তো মেনে নেবে না। বল ইচ্ছাকৃত ক্রোয়েশিয়ায় খেলোয়াড়ের হাতে লাগেনি। তবে ফ্রান্সকে লিড দিয়ে বিরতিতে পাঠান গ্রিজম্যান।

প্রথমার্ধে যেখানে শেষ করেছিল ক্রোয়েশিয়া দ্বিতীয়ার্ধে সেখান থেকেই শুরু। তবে পনেরো মিনিটে ফ্রান্সের পক্ষ থেকে একটা ধাক্কাই যথেষ্ট ছিল বিপক্ষ বক্সে ম্যাচের রঙ ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য। বুদ্ধিদীপ্ত আক্রমণে দূর থেকে পোগবা এবং এমবাপের চমকপ্রদ শট ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। ৪-১ পিছিয়ে পড়েও ক্রমাগত পাসিংয়ে বিপক্ষ বক্সে আক্রমণ চালিয়ে যান মদরিচরা। যার ফল মান্ডুকিচের সান্ত্বনা গোল। তবে পুরোটাই গোলকিপার লরিসের ভুলবশত।

ফাইনাল হারলেও, ক্রোয়েশিয়ার লড়াই ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ৯৮-য়ে খেলোয়াড় (অধিনায়ক) হিসাবে দেশকে বিশ্বকাপ, কুড়ি বছর পর কোচ হিসাবে দ্বিতীয় বার। বেকেনবাওয়ার, মারিও জাগালোর পাশেই ইতিহাসে জায়গা করে নিলেন দিদিয়ের দেঁশ।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here