francewcfinal

উরুগুয়ে – ০                                  ফ্রান্স – ২

ওয়েবডেস্ক: ১২ বছর পর বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ফ্রান্স। তবে গত ম্যাচের থেকে অনেকটাই সাদামাটা লেগেছে ৯৮-র চ্যাম্পিয়নদের। চলতি বিশ্বকাপের অন্যতম বোরিং ম্যাচ হিসাবে চিহ্নিত থাকবে কোয়ার্টার ফাইনালের এই ম্যাচটি। মানসিক ভাবে যে উরুগুয়ে পিছিয়েই থাকবে তা ম্যাচের শুরুতেই বোঝা গিয়েছিল। যার অন্যতম কারণ গত ম্যাচের নায়ক কাভানির চোটের কারণে অনুপস্থিতি। দু’গোলের ব্যবধানে ফ্রান্স জয় পেলেও, তাদের খেলাতেও সেই ঝাঁজ লক্ষ করা যায়নি।

ম্যাচের শুরুতে দু’দল আক্রমণাত্মক ভাবে শুরু করেল ধীরে ধীরে সেই ঝাঁজ হারাতে কমতে থাকে তাদের। অবশ্য দলগত সংহতির কারণেই কিছুটা চাপ বাড়াতে থাকে ফরাসিরা। সুযোগ বলতে ম্যাচের পনেরো মিনিটে দিনের সহজতমটি পেয়েছিলেন টুর্নামেন্টে ফ্রান্সের তারকা-তরুণ এমবাপে। বক্সে ফাঁকা বল রিসিভ করে শট নিলেই পেয়ে যেতেন অবধারিত গোল। কিন্তু তাঁর হেডার লক্ষ্যভ্রষ্ট। হাফ চান্সে সুযোগ পেয়েছিলেন উরুগুয়ের স্টুয়ানিও। কিন্তু ব্যর্থ তিনিও। বিশ্বকাপের মতো পরিবেশে যে কোনো দলের কাছে ভারসাম্য থাকাটা খুবই জরুরি। যা সাদামাটা ম্যাচেও তফাৎ গড়ে দিতে পারে। হলটাও তাই। বিরতিতে যাওয়ার মিনিট পাঁচেক আগে গ্রিজম্যানের ফ্রি-কিক থেকে ভারানের গোলে লিড নেয় ফ্রান্স। নিজেদের সহজতম সুযোগ থেকে সমতা ফেরাতেই পারত উরুগুয়ে। কিন্তু বিরতিতে যাওয়ার মিনিট দু’য়েক আগে ক্যাসেরাসের অবধারিত হেডার বাঁচিয়ে দেন ফরাসি গোলকিপার লরিস।

দ্বিতীয়ার্ধে শুরু থেকেই আক্রমণ ভাগে ফ্রান্সেরই দাপট ছিল ব্যবধান বাড়ানোর জন্য। প্রথমার্ধে কিছুটা পাওয়া গেলেও, দ্বিতীয়ার্ধে ব্যর্থ এমবাপে। হজম করলেন হলুদ কার্ডও। পনেরো মিনিটের মাথায় দ্বিতীয় গোল। অবশ্য পুরোটাই উরুগুয়ের গোলকিপারের ভুলে। বল ক্লিয়ার করতে নিজের জালেই ঢুকিয়ে দিলেন মুসলেরা। ফলে টুর্নামেন্টে নিজের তৃতীয় গোল পেয়ে জান ফরাসি তারকা গ্রিজম্যান। শেষদিকে কিছুটা আক্রমণ বাড়ালেও, ম্যাচে ফেরার তাগিদ এদিন উরুগুয়ের মধ্যে একটুও পাওয়া যায়নি।

তবে ফাইনালে উঠতে গেলে ফরাসিদের কিন্তু বৈচিত্র্য আনতেই হবে পরের ম্যাচে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here