hondafinal

জাপান – ২                               সেনেগাল – ২

ওয়েবডেস্ক: পারল না জাপান। এশিয়ার প্রথম দল হয়ে দক্ষিণ আমেরিকার কোনো দেশকে বিশ্বকাপে হারিয়ে প্রথম ম্যাচে ইতিহাস করলেও, দ্বিতীয় ম্যাচে অবশ্য আটকে গেল জাপান। সেনেগালকে হারাতে পারলে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবার পিছিয়ে পরে জয় তুলতে পারতো জাপানিরা। সারা ম্যাচে বিশেষ করে দ্বিতীয়ার্ধে যে পারফরমেন্স জাপান দেখাল তাতে জয় অসম্ভব ছিল না। তবে সেনেগালের লড়াইকে কুর্নিশ জানাতেই হয়, দু’বার এগিয়ে গিয়ে অবশ্য শেষমেশ ড্র। অন্যতম রোমাঞ্চকর ম্যাচ হিসাবে চিহ্নিত থাকবে এই লড়াই। ফলে গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচ খেলার আগে দু’দলের পয়েন্ট দাঁড়াল চার।

প্রথমার্ধে শুরুটা থেকেই আক্রমণাত্মক সেনেগাল। যার ফলে ম্যাচের দশ মিনিটের মাথায় দলকে এগিয়ে দেন তারকা খেলোয়াড় মানে। তবে কিছুটা ভাগ্যের সহায় না থাকলে অবশ্য এই গোলটি হয় না। এর জন্য অবশ্য দায় এড়াতে পারেন না জাপান গোলকিপার। পিছিয়ে পরে আক্রমণে ঝাঁজ বাড়াতে থাকে এশিয়ার অন্যতম সেরারা। কলোম্বিয়াকে হারানো যে নিছক দুর্ঘটনা ছিল না, তা বিরতিতে যাওয়ার দশ মিনিট আগেই বুঝিয়ে দেয় জাপান। ইনস্টেপে অবিশ্বাস্য শটে সমতা ফেরান ইনুই। বিরতিতে এগিয়ে যেতেই পারতো জাপান কিন্তু হামাগুচি সুযোগ কার্যকর করতে ব্যর্থ হন।

প্রথমার্ধ যদি সেনেগাল হয়, তাহলে দ্বিতীয়ার্ধ পুরোটাই নীল সামুরাইরা। সুযোগ পেয়েছিলন ওসাকা কিন্তু তাঁর হেডার সেনেগাল গোলকিপারের হাতে তালুবন্দি। দ্বিতীয়ার্ধে ওসাকা একাই যা সুযোগ পেয়েছিলন তাতে নিজেই হ্যাটট্রিক করে ফেলতে পারতেন। ফাঁকা গোলে ফের বল ঢোকাতে ব্যর্থ সেই ওসাকা। জয়ের জন্য ক্রমাগত আক্রমণ শানাতে থাকে জাপান। গোলদাতা ইনুইয়ের শট পোস্টে লেগে প্রতিহত হয়। কিন্তু খেলার বিপক্ষে গিয়ে ফের এগিয়ে যায় সেনেগাল। উনিশ বর্ষীয় ওয়াগে দলকে জয় প্রায় এনেই দিয়েছিলেন। কিন্তু এদিন জাপান হেরে গেলে সত্যি তাদের সঙ্গে অন্যায় হত। অবশ্য শেষমেশ তা হয়নি। ম্যাচ শেষ হবার দশ মিনিট আগে জাপানের হয়ে সমতা ফেরান মাঠে নতুন আসা তারকা স্ট্রাইকার কেইসুকে হন্ডা।

ফলে প্রি-কোয়ার্টারে ওঠার লড়াইয়ে আপাতত দু’দলই, দুই ম্যাচে চার পয়েন্ট। শেষ ম্যাচে ড্র করতে পারলেই দুই দল শেষ ষোলয় পৌঁছে যাবে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here