neymarfinal

ওয়েবডেস্ক: ব্রাজিলের মতো দেশকে বিশ্বকাপের মঞ্চে সফল করতে গেলে দলের তারকা খেলোয়াড়কে চাপ নিতেই হবে। যা অতীতে পেলে, রোমারিও, রোনাল্ডোরা প্রমাণ করে এসেছেন বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড়ো আঙিনায়। সেই ব্রাজিল ফের একবার বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন দেখছে, বর্তমান দলের তারকা খেলোয়াড় নেইমার জুনিয়ারের কাঁধে ভর করে। তারকা মানে শুধু প্রচারের আলোয় থাকা নয়। এটা এমনই এক বড়ো দায়িত্ব যার ওপর নির্ভর করছে দেশের সম্মান। ঠিক সেটাই কিন্তু পরিপূর্ণ করতে ব্যর্থ হচ্ছিলেন নেইমার। প্রথম ম্যাচে সুইসদের কাছে এগিয়ে গিয়েও আটকে যাওয়া। এবং সারা ম্যাচে নিজের ছন্দের ছিটেফোঁটা ঠিক মতো মেলে ধরতে না পারা। যার ফলে এক বিশাল চাপের সম্মুখীন যে তিনি হচ্ছিলেন তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। সমর্থক থেকে শুরু করে ফুটবল সমালোচক,সকলেই একহাত নিচ্ছিলেন তাঁকে। তবে কথাতেই আছে ‘ফর্ম ইস টেম্পোরারি ক্লাস ইস পার্মানেন্ট’। সেটাই বোঝালেন কোস্তারিকা ম্যাচে। গোলও করলেন।

তারপরই সমালোচকদের এক হাত নিলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, “সবাই জানে না কত কষ্ট করে আমি এখানে এসেছি। টিয়াও কথা বলতে পারে কিন্তু হাঁটতে চলতে পারে না। ম্যাচ শেষে কান্নার কারণ জয়, পরিশ্রম, জেতার দৃঢ়তা। জীবনে সব কিছু সহজ ছিল না। তাহলে এখনই বা কেনো হবে? ছেলেদের ধন্যবাদ জয়ের জন্য”।

 

এই ম্যাচের পর একই সঙ্গে এক মাইলস্টোনও ছুঁলেন তিনি। জাতীয় দলের হয়ে গোলের বিচারে টপকে গেলেন কিংবদন্তি রোমারিওকে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here