paul pogba

ওয়েবডেস্ক: বিশ্বকাপের শুরু থেকেই ফ্রান্স দলকে নিয়ে একটা আলাদা চর্চা হচ্ছিল। কারণ দলের বেশির ভাগ খেলোয়াড়ই নতুন এবং সবাই প্রায় বিশ্বের দামি লিগগুলিতে পেশাদারি ফুটবল খেলে। গ্রিজম্যান থেকে কান্তে, জিরু থেকে এমবাপে, কে নেই দলে। কিন্তু তার মাঝেও আরেক জন ছিলেন যিনি নামের প্রতি তেমন সুবিচার করতে পারছিলেন না। নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন কার কথা বলছি। হ্যাঁ, ঠিক মাঝমাঠের স্তম্ভ পল পোগবা। ইপিএলে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের অন্যতম ভরসা তিনি। তবে বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার পর থেকে তাঁকে সেই ভাবে পাওয়া যাচ্ছিল না। তাঁর নামের পাশে না ছিল গোল, না কোনো অ্যাসিস্ট। ফলে একটা চাপ যে অনুভব করছিলেন তা আর বলতে লাগে না। তবে বাংলায় একটা কথা আছে, ‘ওস্তাদের মার শেষ রাতে’। ফাইনালে সেটাই প্রমাণ করলেন তিনি। মাঝমাঠ নিয়ন্ত্রণ সঙ্গে অনবদ্য গোল। ফলে সমালোচকদের মুখে যে ঝামা ঘষে দিয়েছেন তা নিঃসন্দেহে বলা যায়।

দেশের হয়ে বিশ্বকাপ জিতলে যে কোনো খেলোয়াড়ই আনন্দের জোয়ারে ভাসবেন। হলও তাই। যার জেরে রীতিমতো ‘ট্রোলড’ করে বসলেন ইংল্যান্ড জাতীয় দলকে। রাশিয়া বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড জাতীয় দলের থিম গান ছিল ‘ইটস কামিং হোম’। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই গান গেয়ে কিছুটা মজা করলেন তিনি। অবশ্য পরে ক্ষমা চেয়ে নেন পোগবা। কারণ তাঁর ক্লাব ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের সমর্থকরা এমনটা মেনে নিত না।

 

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here