cr7wc2final

পর্তুগাল – ৩                          স্পেন – ৩

ওয়েবডেস্ক: বিশ্বকাপের ইতিহাসে অন্যতম সেরা ম্যাচ হিসাবে স্মরণীয় থাকবে শুক্রবারের পর্তুগাল বনাম স্পেন ম্যাচটি। যার সবথেকে বড়ো কারণ ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। বিশ্বকাপ ২০১৮-র প্রথম হ্যাটট্রিক। যার ফলে প্রথম ম্যাচে স্পেনের সঙ্গে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে নিল ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নরা। বড়ো দলগুলির ম্যাচ রাতে জেগে দেখা যে সার্থক তা যে কোনো ফুটবলপ্রেমীকে এই ম্যাচ নিয়ে জিজ্ঞেস করলে এক কথায় হ্যাঁ ছাড়া আর কিছু খুঁজে পাওয়া যাবে না। ২০১৬-য় ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর অনেকটাই বদলেছে পর্তুগাল। অন্তত আজকের ম্যাচের ওপর ভিত্তি করে বলা যায়।

এদিন ম্যাচের শুরুতে ভালো ছন্দেই শুরু করেছিল পর্তুগাল। পাস খেলে বিপক্ষ বক্সে হামলা। যার ফল বক্সে রোনাল্ডোকে ফাউল করায় পেনাল্টি পায় পর্তুগাল। দে গিয়াকে পরাস্ত করে ক্লাসিক পেনাল্টি রোনাল্ডোর। কিন্তু পিছিয়ে পড়লেও, ধীরে ধীরে আক্রমণ শানাতে থাকে স্পেন। ইনিয়েস্তা, সিলভারা ক্রমাগত মাঝমাঠকে দখল করতে থাকেন। যার ফল কুড়ি মিনিটের মধ্যে লা-রোজাদের হয়ে সমতা ফেরান দিয়েগো কোস্তা। এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন ইনিয়েস্তা, ইস্কোরা তবে তা কার্যকর হয়নি। তবে ফুটবলে লাক ফ্যাক্টর বলেও একটা কথা থাকে যার প্রমাণ ম্যাচের পর নিশ্চয়ই বুঝতে পারবে স্পেন। প্রথমার্ধের শেষদিকে স্পেন গোলরক্ষক দে গেয়ার ভুলে বিরতিতে ফের রোনাল্ডোর গোলে এগিয়ে থেকে শেষ করে পর্তুগাল।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই মাঝমাঠ দখলের লড়াইয়ে আক্রমণ প্রতিআক্রমণে শুরু হয় খেলা। তবে দলগত ভাবে কিছুটা যে এগিয়ে স্পেন। তার ফল মাত্র দশ মিনিটের মধ্যে স্পেনকে ফের ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন সেই কোস্তা। এর রেশ কাটতে না কাটতে ফের গোল। নাচোর বুলেটের মতো শট আটকাতে ব্যর্থ পর্তুগালের অভিজ্ঞ গোলকিপার রুই প্যাট্রিসিও। পিছিয়ে পড়েও সুযোগ মাফিক আক্রমণ শানাবার চেষ্টা করে পর্তুগাল। সৌজন্যে নতুন নামা কুরেসমা এবং আন্দ্রে সিলভা। তবে দলে যদি রোনাল্ডোর মতো খেলোয়াড় থাকে তখন ম্যাচ যে কোনো সময় ঘুরে যেতে পারে। হলটাও তাই। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার মিনিট তিনেক আগে নিজের ট্রেডমার্ক ফ্রি-কিকে পর্তুগালের হয়ে সমতা ফিরিয়ে নিজের ৫১তম হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করেন সি আর সেভেন। যা কিনা বিশ্বকাপের ইতিহাসেও ৫১তম হ্যাটট্রিক।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here