রাশিয়া-৫(৪)      স্পেন-৪(৩)

ওয়েবডেস্ক: রাশিয়ার কোচ স্তানিস্লাভ চেরচেসভ পেছন ঘুরে দাঁড়িয়ে পড়েছিলেন। আর সারা গ্যালারি তখন বুকে হাত চেপে বসে রয়েছে। ম্যাচের তখন ৪১ মিনিট। ১১ মিনিটের মাথায় দলের প্রবীণ ডিফেন্ডার ইগনাসেভিচের সেমসাইডে তাঁর দল তখন পিছিয়ে রয়েছে। আয়োজক দেশের কোচ তিনি। এত টেনশন কি সহ্য হয়! কেটে গেছিল টেনশন। রাশিয়ার স্ট্রাইকার জিয়ুবার নিখুঁত শটে খেলায় সমতা ফিরে এসেছিল।

তারপর শুরু হল দর্শকদের যন্ত্রণা। সম্পূর্ণ ডিফেন্সে চলে গেল রাশিয়া। প্রবল প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বরাবর যা করে এসেছে ‘মিনো’রা। রুশ ডিফেন্স ভাঙার চেষ্টায় অজস্র স্কোয়ার পাস খেলতে লাগলেন ইস্কো, ইনিয়েস্তারা। কিন্তু সবই বৃথা। কাউন্টার অ্যাটাকে দু-তিনটি সুযোগ পেলেও কাজে লাগাতে পারল না রাশিয়া। দুর্বল আক্রমণ ভাগের জন্য। খেলায় কিছুটা তীব্রতা এল অতিরিক্ত সময়ে। ম্যাচকে টাই ব্রেকারে না নিয়ে যাওয়ার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছিল তাঁরা। কিন্তু লাভ হয়নি। দক্ষতা যতটা না, তার চেয়ে বেশি হৃদয় দিয়ে ইউরোপের অন্যতম ফুটবল মহাশক্তিকে আটকে দিল রুশ রক্ষণ।

ম্যাচ যখন টাইব্রেকারে, তখনও তো স্পেনই ফেভারিট। তাঁদের দলেই তো রয়েছেন পৃথিবীর অন্যতম সেরা গোলরক্ষক ডেভিড দে হিয়া। কিন্তু না। কোকে ও আসপাসের পেনাল্টি বাঁচিয়ে বিশ্বকাপের মুখ হয়ে উঠলেন ইগর আকিনফিভ। বিশেষত ভুল দিকে ঝাঁপিয়ে পড়েও পা দিয়ে আসপাসের শট বাঁচানোর দৃশ্য হয়ে উঠল রাশিয়ার বিশ্বকাপের ছবি। কলকাতা লেভ ইয়াসিনকে ভোলেনি, আকিনফিভকেও কি ভুলতে পারবে?

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here