portugalfinal

ইরান – ১       পর্তুগাল – ১                             স্পেন – ২        মরক্কো – ২

ওয়েবডেস্ক: ড্র করেও প্রি-কোয়ার্টারে পর্তুগাল এবং স্পেন। সোমবার গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে দু’দলই আটকে গেল ধারে ভারে পিছিয়ে থাকা ইরান এবং মরক্কোর কাছে। পর্তুগাল এগিয়ে গিয়েও সুযোগ পেয়েছিল ব্যবধান বাড়ানোর। কিন্তু মেসির পর এবার রোনাল্ডো। পেনাল্টি মিস করলেন তিনি। যার খেসারত ম্যাচের সংযুক্ত সময়ে ইরানের পেনাল্টি গোলে দিতে হল পর্তুগালকে। অন্যদিকে কপাল ভালো স্পেনের। দু’বার পিছিয়ে পড়েও শেষমেশ ড্র করতে সক্ষম হল তারা। ফলে গ্রুপ বি থেকে গ্রুপ চ্যাম্পিয়নের তকমা পেল স্পেন। যারা ১ জুলাই গ্রুপ এ রানার্স রাশিয়ার মুখোমুখি হবে। অন্যদিকে গ্রুপ বি রানার্স পর্তুগাল ৩০ জুন গ্রুপ এ-র চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ের মুখোমুখি হতে চলেছে।

পর্তুগাল-ইরান ম্যাচে হিসাব অনুযায়ী ড্র হয়তো হয়েছে। কিন্তু এই ম্যাচে আসল বিজয়ী কিন্তু ভিআরএস। সারা ম্যাচ যার দক্ষতা বহুবার বার চোখে পড়ল। ম্যাচে আক্রমণাত্মকই শুরু করেছিল পর্তুগাল। তবে ইরানের ডিফেন্সকে কিন্তু বাহবা দিতেই হবে। গোল হজম না করার যে তাগিদ তা দেখার মতো। অবশ্য প্রতি আক্রমণে সুযোগ পেয়েছিল তারা। কিন্তু কার্যকর করতে ব্যর্থ আমিরি, হাজি সাফিরা। তবে অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে প্রথমার্ধের নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে নিজেদের কাঙ্খিত গোল পেয়ে যায় ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নরা। সৌজন্যে বর্ষীয়ান রিকার্ডো কুরেসমা।

দ্বিতীয়ার্ধেও ছন্দেতেই শুরু করে তাঁরা। যার ফল ম্যাচের পাঁচ মিনিটের মাথায় পেনাল্টি পায় পর্তুগাল। ভিআরএস পদ্ধতি কাজে লাগিয়ে সিদ্ধান্ত বদলান রেফারি। তবে সবাইকে আশ্চর্য করে টুর্নামেন্টে পঞ্চম গোল হাতছাড়া সি আর সেভেনের। যা কিছুটা মানসিক ভাবে তাঁকে পিছিয়ে দেয় বাকিটা সময়। যার যেরে জঘন্য ফাউলও করলেন। কিন্তু তাঁকে লাল কার্ড দেখানো হল না। রোনাল্ডো পরে্র ম্যাচ না খেললে বিশ্বকাপের জৌলুশ কমে যাবে যে!  এই ম্যাচ জয় ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না ইরানের। ক্রমাগত চাপ রাখতে শুরু করে তারা। ফলে সংযুক্ত সময়ে সেই ভিআরএস-কে শিখণ্ডী করে তাদের পেনাল্টি দেন রেফারি। দলের হয়ে সমতা ফেরান আন্সারিফার্দ। তবে দেশকে পরবর্তী রাউন্ডে নিয়ে যেতে পারলেন না তিনি।

অপর ম্যাচে ড্র করেও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন স্পেন। প্রথমার্ধের পনেরো মিনিটের মধ্যেই পিছিয়ে পড়ে তারা। সৌজন্যে বুটাইব। তবে বেশিক্ষণ সময় লাগেনি সমতা ফেরাতে। মিনিট পাঁচেকের মধ্যে সমতা ফেরান রেয়ালের ইস্কো। আক্রমণ প্রতি-আক্রমণে শেষ হয় খেলা। দ্বিতীয়ার্ধেও নিজেরদের সাধ্যমত লড়াই করে গেল মরক্কো। যার ফল নির্ধারিত সময়ের দশ মিনিট আগে ফের লিড নেয় তারা। যখন মনে হচ্ছিল ঐতিহাসিক জয়ের সন্ধিক্ষণে তারা দাঁড়িয়ে। ঠিক সেই সময় স্পেনকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনেন আস্পাস। এখানেও একই গল্প, প্রথমে রেফারির গোল না দিলেও ভিআরএস পদ্ধতি ব্যবহার করে স্পেনকে গোল ফিরিয়ে দেওয়া হয়।।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here