পেরু
Arunava Gupta
অরুণাভ গুপ্ত

খবর তো নয়, যেন দশমনি ঘুষি। ঠিক জায়গায় পাত্তা লাগাও, ওঁরা গেল কোন চুলোয়। ভাল লোক হলে মাথাব্যথা ছিল না, কিন্তু সবকটা একেবারে নির্ভেজাল দাগি আসামি। কেউ মাদক পাচারকারী, কেউ আবার ডাকাত দলের স্যাঙাৎ। বেশি দিন বাইরে থাকা মানে রাতের ঘুম দফারফা। পাগলা ঘন্টি বাজিয়ে সব কর্নারে ঘোষণা করা হয়েছে- চারটে জনবহুল শহর অ্যানকন, সিমবোতে, আইকা এবং লিমা-র জেল থেকে এরা সটকেছে।

তা এইসব মার্কামারা পাবলিকগুলো কোন দেশের আর কেনই বা পালালেন? এঁদের দেশ পেরু। পালানোর কারণ পেরু ৩৬ বছর পর বিশ্বকাপের মূলপর্বে ছাড়পত্র পেল। তাতে পালাল কেন। জেলে বসে জায়েন্ট স্ক্রিনে খেলা দেখতে পারত। তা না মাথায় যত পোকা নড়ে। ও মশ্যায়রা শুনুন, অ্যানারা এমনি পালাননি বিশ্বকাপে দেশ পেরু তাই আগেভাগে রাশিয়া যাত্রা, স্কোয়াড তৈরি এখন শুধু মাঠে নামার অপেক্ষা। যা বাবা, একই মগের মুলুক এ তো দেখছি বেশ ঠাণ্ডা মাথায় গুছিয়ে প্ল্যান করে এত বড়ো কাণ্ড ঘটানো হয়েছে, এর পিছনে নির্ঘাৎ পাকা মাথার লোকেরা রয়েছেন, কিন্তু যাঁরা আছেন, তাঁদের বিশেষ উদ্দেশ্য নেই। এটা মানা যাচ্ছে না।

যেখানে জেল বন্দিদের মধ্যে কিছু সংখ্যক পুলিশি ভাষায়- হাইলি ডেঞ্জারাস। জেলার-জেল রক্ষীদের চোখে ধুলো দিয়ে এত বড়ো ঝুঁকি! বুদ্ধিতে ব্যাখা মেলে না। জানি ফিফা, রাশিয়া হাত গুটিয়ে বসে নেই, তবে ফুটবল পাগল মানুষ পাত্তা লাগান আসল রহস্য কোথায়? নইলে যদি কিছু অঘটন হয়, কে বলতে পারে? বিশ্বকাপ হয়তো ভেস্তে গেল! ১২ বছর বন্ধ থাকার জ্বালা আর সইতে রাজি নই আমরা। কারণ ফুটবল আত্মার আত্মীয়। তবে ঠিক কী কারণে পালালেন ওই বন্দিরা, কী কাণ্ড ঘটালেন? তাঁরা পড়ুন আগামী পর্বে www.khaboronline.com-এ

(ছবি প্রতীকী)

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন