ওয়েবডেস্ক: টিভিতে দেখা যায়নি সে দৃশ্য। না যাওয়ারই কথা। তখন সব ক্যামেরা ব্যস্ত ক্রোয়েশিয়ার উদ্‌যাপন দেখাতে। ১০৯ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করে এগিয়ে যাওয়া মানে তো বিশ্বকাপ ফাইনালের পথে এক লাফে অনেকটা এগিয়ে যাওয়া।

অন্যদিকে মরিয়া হয়ে ওঠে ইংল্যান্ডও। ৫২ বছর পর বিশ্বকাপ ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন বলে কথা! ক্রোয়েশিয়ার সব ফুটবলার যখন মান্ডজুকিচের গোল উদ্‌যাপন করতে মাঠের বাইরে চলে গেছেন, তখন কিক অফ করে ফাঁকা  মাঠে গোল করিতে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। পুরো ফাঁকা নয় অবশ্য, তেকাঠির নীচে দাঁড়িয়ে ছিলেন ক্রোয়েশিয়ার গোলরক্ষক সুবাসিচ। ব্রিটিশ খেলোয়াড়রা বেশ কিছুটা এগিয়ে যাওয়ার পর তাঁদের থামিয়ে দেন রেফারি। পরে নতুন করে কিক অফ হয়।

আসলে গোলমালটা শুরু পর্তুগাল বনাম স্পেন ম্যাচে। রোনাল্ডো তৃতীয় গোল দিয়ে সমতা ফেরানোর পর তাঁকে নিয়ে মাঠের বাইরে উদ্‌যাপন করছিলেন সহ খেলোয়াড়রা। কিন্তু হোসে ফন্তে মাঠেই ছিলেন। তাঁর ভুল ধারণা ছিল, সবাই মাঠের বাইরে বেরিয়ে গেলে স্পেন কিক অফ করে গোল করে দিতে পারবে।

সে চেষ্টা হয়েওছে এই বিশ্বকাপে। হয়েছে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধেই। মাঠের বাইরে বেরিয়ে সব ব্রিটিশ খেলোয়াড়দের উদ্‌যাপনের সময় এ ভাবেই গোল দেওয়ার চেষ্টা করেছিল পানামা। রেফারি তা আটকে দেন। সেই ঘটনা থেকে শিক্ষা না নিয়ে বুধবার একই ঘটনা ঘটিয়েছেন হ্যারি কেনরা।

আসলে ফিফার এমন কোনো নিয়মই নেই। বিধির বইতে লেখা আছে, ‘কিক অফের সময় যে ফুটবলাররা কিক অফ নিচ্ছেন, তাঁরা বাদে সকলে নিজেদের অর্ধে থাকবেন’। সেখানে ফুটবলারদের মাঠের বাইরে থআকা নিয়ে কিছু বলা নেই।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here