সুইডেন-১       সুইটজারল্যান্ড-০

ওয়েবডেস্ক: এই কথাটা লেখা ব্যানার নিয়েই গ্যালারিতে উৎসব করছিলেন সুইডিশ সমর্থকরা। ‘যাও তোমরা চকোলেট বানাও’। বলবেন নাই বা কেন। সেই ১৯৫৪ সালে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল সুইটজারল্যান্ড। তারপর থেকে কখনও দ্বিতীয় রাউন্ডের বাধা টপকাতে পারেনি। এবারও পারল না। যদিও এবারে তাঁদের দল ছিল চমৎকার। প্রি ওয়ার্ল্ড কাপে তাঁরা দারুণ খেলেওছিল। কিন্তু এদিন কোনো বিভাগেই সুইডিশদের টেক্কা দিকে পারেনি তাঁরা।

এদিন কিন্তু কোনো দলই তেমন ভালো খেলেনি। হিসেবি ফুটবলের মাঝে অবশ্য আক্রমণ বেশি ছিল হলুদ জার্সিধারীদেরই। তার মধ্যেই প্রথমার্ধে একটি ক্রস থেকে ও একটি দূরপাল্লার শটে গোলের সুযোগ তৈরি করেন শাকিরি ও জাকা।  বিরক্তিকর ফুটবল চলছিল দ্বিতীয়ার্ধেও। তার মধ্যেই এমিল ফর্সবার্গের শল সুইস ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে গোলে ঢুকে যায়। ব্যস। তারপর আর গোল হল না। খেলার শেষের দিকে কিছুটা বেপরোয়া হয়ে গেছিল বটে সুইসরা। কিন্তু তাতে লাভ কিছু হয়নি।

এবারের বিশ্বকাপে বহু ম্যাচেই শেষ মুহূর্তে ম্যাচ রঙ বদলেছে। তৈরি হয়েছে চূড়ান্ত নাটক। এদিনও নাটক হল। কিন্তু তা সুইসদের বিপক্ষে। একা বল নিয়ে দৌড়ে প্রায় গোল দিয়ে ফেলেছিলেন মার্টিন ওলসন। তাঁকে পেছন থেকে হাল্কা ধাক্কা মারেন ডিফেন্ডার মাইকেল ল্যাং। রেফারি পেনাল্টি দেন ও ল্যাং-কে লাল কার্ড দেখান। যদিও ভিএআর দেখে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত বদল করেন তিনি। যদিও লাল কার্ড ফেরালেন না।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here