neymar 2
Arunava Gupta
অরুণাভ গুপ্ত

পলিনহো, জেসাস, কুটিনহো, থিয়েগো সিলভা-সহ পুরো ব্রাজিল টিমে চাঁদের হাট বসেছে। বুকের উপর আড়াআড়ি রাখা রাখা দু’টো হাত, আধবোজা চোখ, নেইমার আলগা পায়চারি করছেন। সতীর্থরা ভালো মতোই জানেন, এটা অস্থিরতা নয়, মনস্থির করার ফাইনাল প্রস্তুতি। জমায়েতে কোচ টিটে ইচ্ছে করেই অনুপস্থিত। তিনিও এমনই চাইছিলেন, কারণ কোচ যতই বাছা বাছা কৌশল দিন ময়দানে ফাংশন হিট করানোর দায়িত্ব শিল্পী ফুটবলারদের। সেখানে নেইমার যত ভাববেন, ব্রাজিল তত তেতে উঠবে। কোচের কাছে নেইমার তথ্য অজানা নয়। তিনি জানেন নেইমার কতটা অসাধারণ ফুটবলার, তবু একা ম্যাচ জেতানো অসম্ভব-অবাস্তব আশা। নেইমার হলেন একটা সক্ষম দলের ধারালো অস্ত্র। তাঁকে হিসেব করে ব্যবহার করলে ডিভিডেন্ড মেলে ভালো।

কানখাড়া করেন কোচ, নেইমার বলছেন, “বুঝলে ভাই আমাদের লক্ষ্য ম্যাচের শুরুতেই একটা গোল চাই। তা হলেই ওদের ছক ভন্ডুল হবে। নইলে কোস্তারিকা কিন্তু পাঁচিল তুলবে। যেমন স্পেনের বিরুদ্ধে ইরান করেছে। তখন ওই প্রাচীরে ধাক্কা খাওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না। আমরা মাথায় রাখব, সামগ্রিক খেলা খেলতে হবে। এবং কাউকে বোতলবন্দি করে ফয়দা নেই। কোস্টারিকা আপ্রাণ চেষ্টা করবে আমাদের সাপ্লাই ডিস্টার্ব করতে। যাতে বিপক্ষ সেনারা রসদ না পায়। নিজের জন্য তাই আলাদা টোটকা নিলাম। আমি আজ একটু বেশি পাস দেওয়া-নেওয়ার মধ্যে থাকব”।

neymarকোস্তারিকা জানে, নেইমার নেইমার লম্বা দৌড়ে অনেক বেশি এফেক্টিভ। ফলে নেইমারকে অন্য ভূমিকায় দেখলে ধন্ধে পড়বে। কোস্টারিকা যাতে ঘর থেকে বেরোয় সে রকম প্ল্যান আমরা করলে কোনো না কোনো দরজা হাট করে খোলা থাকবে এবং ওটাই হবে ব্রাজিলের সাফল্যের চাবিকাঠি।

“ব্রাজিলের সাম্বা, ওহো কী স্মৃতি, বন্ধুরা আমি নেইমার যাতে স্বার্থপর না হই তা দেখার দায়িত্ব তোমাদেরও। বিশ্বকাপে ছাড়পত্র পাওয়ার যুদ্ধে ব্রাজিলের করা ৪১ গোলের মধ্যে ৬টা আমার। জ্বলে না উঠলে কী জবাব দেব নিজেকে”। সতীর্থদের উদ্দেশে বললেন নেইমার।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here