duel
Arunava Gupta
অরুণাভ গুপ্ত

মাথা গরম হলে কে বা নামী কে বা দামি, একেবারে অন্য মানুষ। খিস্তি-খেউড়, লাথালাথি তখন যেন হাতের মোয়া হয়ে যায়।

১৯৯০ বিশ্বকাপ গ্রুপ ম্যাচে সমান-সমান নেদারল্যান্ডস এবং জার্মানি, আর কে না জানে এই দুই রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ঘটনাবলি উঠতে বসতে আকচা-আকচিতে ভরপুর। এর প্রভাব খেলার আসরেও পড়েছে। জড়াল ফুটবলের দুই মহারথী ডাচের রাইকার্ড, জার্মানির রুডি ভলার। ডাচ ডিফেন্স বনাম জার্মান অফেন্স। রাইকার্ডের টিপ করে ছোড়া একদলা থুতু রুডি ভলারের মাথার চুলে একেবারে লেপ্টালেপ্টি। দু’জনেরই মুখের কারবার। ‘ওয়াক থু’ বনাম  সকার-বকার খিস্তি। পরিণাম দুই জাঁদরেল মক্কেল মাঠের বাইরে।

ইনি-তিনি নামেই বিশ্ববাসী এককাট্টা হয়ে বলবে প্লেয়ার বটে একখানা – ফ্রান্সের জিনেদিন জিদান। ২০০৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলছে ফ্রান্স ও ইতালি। হঠাৎ তামাম দুনিয়া দেখলে জিদান ইতালির ডিফেন্ডার মাতেরাজ্জির তেড়ে গিয়ে তাঁর বুকে সপাটে মাথা দিয়ে এক গুঁতো। মাতেরাজ্জি কেতরে মাটিতে। সঙ্গে সঙ্গে রেড কার্ড, জিদান মাঠের বাইরে। মাইনাস জিদান ফ্রান্স পেনাল্টি শুটে হারল। কি দরকার ছিল এমন বিশ্রী ঘটনা ঘটানোর যার খেসারত দিতে হল দেশকে।

আরও পড়ুন: ফিরে দেখা ফুটবল বিশ্বকাপ: গোলের মুখে রক্ষকের ঘুষি, ঝরল এক জোড়া দাঁত

রাগে-অপমানে ফুঁসে উঠে জিদান বললেন, “আমার মা- বোনের উদ্দেশ্যে কুৎসিত মন্তব্য করায় ওকে উচিত শিক্ষা দিলাম। ক্ষমা চাইব… ধুর ধুর, তার চেয়ে মরে যাব সেও ভাল”।

german
এ ব্যাপারে অবশ্য জার্মান ফুটবলারদের যথেষ্ট ‘নাম’ আছে

একেবারে টাচি জায়গায় টাচ করে ফেলেছেন মাতেরাজ্জি, তাই ফিনিশিং টাচে ধরাশায়ী।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here