neymar

ওয়েবডেস্ক: ব্রাজিল বিশ্বকাপ যুদ্ধে মাঠে নামা মানেই ফুটবল ছাড়া সবই নট নড়ন-চড়ন। টিভিতে চোখ সেঁটে যাওয়া মানেই, যে যেখানে, সে সেখানেই। হাতে যদি থাকে কলম, টেবিলে যদি থাকে কাজের পাহাড়, কম্পিউটারের পাওয়ার অফ-অন হচ্ছে হোক-সে দিকে নজর ঘোরানোর সম্ভাবনা নেই ফুটবলপ্রেমী ব্রাজিলিয়ানদের। এই ব্যাপারটাই ভাবিয়ে তুলল ব্রাজিল প্রশাসনকে।

ব্রাজিলের স্থানীয় সময় অনুযায়ী, রাশিয়ায় যখন ব্রাজিল মাঠে নামছে তখন হয় সকাল নয় তো দুপুর। অর্থাৎ যে সময়টাতে ব্রাজিলিয়ানরা থাকবেন অফিস যাওয়ার পথে বা অফিসে।

শুধু কি ব্রাজিল ম্যাচ? রাশিয়ায় উদ্বোধনের পর থেকেই লাতিন আমেরিকার ওই দেশকে গ্রাস করে ফেলেছে ফুটবল-রোগ। এমনতিতে সারা বছরই চুটিয়ে ফুটবল উপভোগ করলেও বিশ্বকাপের আবেগ তো একবারে আলাদা।

Neymar
নেইমার: এমন দৃশ্য দেখার জন্য রাত জাগতেও প্রস্তুত!

জাতীয় দলের সমর্থকদের বরাবরের দাবি মেনে এ বার পরিষেবা ক্ষেত্রের ২৮ শতাংশ বিশেষ ছাড়ের বন্দোবস্ত করেছে। অর্থাৎ, যে দিন ব্রাজিলের খেলা থাকবে ওই পরিষেবা ক্ষেত্রগুলি থেকে উধাও হয়ে যাবেন কর্মী-আধিকারিকরা। বাকি ৭০ শতাংশও যে কাজের মধ্যে ডুবে থাকবেন তা নয়। তাঁরাও কর্মক্ষেত্রে বসে টেলিভিশনে ম্যাচ দেখতে পাবেন।

তবে শুধু অফিস-কাছারি নয়, সব থেকে মার খেতে চলেছে ব্যবসাবাণিজ্যও। কারণ, বিক্রেতারা নিজেদের দোকানে টিভি লাগিয়ে ক্রেতা টানার চেষ্টা করলেও খেলা শেষ না হওয়া পর্যন্ত রাস্তায় বেরনোর ঝুঁকি নিতে চান না কেউ-ই। স্বাভাবিক ভাবে আগামী রবিবার সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে ব্রাজিলের ম্যাচ চলাকালীন টিভিতে চোখ রেখে মাছি তাড়ানো ছাড়া আর কোনো কাজ থাকবে না দোকানদারদের।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here