brazilherofinal

ওয়েবডেস্ক: আসন্ন রাশিয়া বিশ্বকাপে গ্রুপ ই-র সবথেকে চর্চিত দেশ ব্রাজিল। ব্রাজিলকে নিয়ে নতুন কিছু বলার নেই। পাঁচ বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন তারা। এই নিয়ে একুশ বার বিশ্বকাপে মঞ্চে আবির্ভাব হতে চলেছে সেলেকাওদের। বিশ্বকাপ ছাড়াও পাঁচ বারের কোপা আমেরিকা এবং চার বারের কনফেডেরেশন চ্যাম্পিয়ন তারা। শেষ ২০০২ সালে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয় তারা। তাই দলের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় নেইমারের হাত ধরে ফের বিশ্বজয় করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে হলুদ জার্সিরা। কারণ গত বিশ্বকাপে ঘরের মাঠে, নেইমার দলকে নেতৃত্ব দিয়েও বিশ্বকাপ এনে দিতে পারেননি। শুধু তাই নয়, বিশ্বকাপের ইতিহাসে জার্মানির কাছে লজ্জাজনক ভাবে ৭-১ ব্যবধানে হেরে সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয় সেলেকাওদের।

nationalbrazilteam

আসন্ন বিশ্বকাপে নতুন কোচ টিটের তত্ত্বাবধানে নিজেদের ফের নতুন ভাবে চেনাচ্ছে তাঁরা। যোগ্যতা অর্জন পর্বে নিজেদের জোনে গ্রুপ শীর্ষে থেকে বিশ্বকাপে আসছে ব্রাজিল। দলের প্রায় সব খেলোয়াড়ই ইউরোপের প্রথম সারির লিগগুলিতে পেশাদারি ফুটবল খেলেন। গোলকিপিং থেকে শুরু করে স্ট্রাইকিং, প্রথম এগারোয় ঢোকার প্রতিদ্বন্দ্বিতা রীতিমতো তুঙ্গে। শেষমেশ দল কেমন হবে তাতো কোচই জানেন। কিন্তু গোলকিপিংয়ে মূলত লড়াই অ্যালিসন এবং এডারসনের মধ্যে। ডিফেন্সের দায়িত্ব সামলাবেন থিয়াগো সিলভা এবং মার্সেলো। তাদের যোগ্য সঙ্গ দেওয়ার জন্য থাকবেন ফিলিপে লুইস এবং ড্যানিলো। অন্যদিকে ব্রাজিলের মাঝমাঠে বিশ্বের অন্যতম সেরা। বার্সেলোনা এবং ম্যাঞ্চেস্টার সিটির হয়ে ঘরোয়া লিগ জেতা পউলিনহো এবং ফার্নান্দডিনহোর ওপর দায়িত্ব মাঝমাঠে আক্রমণ তৈরির। তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন দেশের তরুণ প্রতিভা কুতিনহো এবং ক্যাসেমিরো। যারা ইতিমধ্যেই বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসাবে পরিচিত। অন্যদিকে ফরওয়ার্ডে অন্যতম আকর্ষণ অধিনায়ক গ্যাব্রিয়েল জেসুস। তাঁর  স্কিল এবং পাওয়ার ইতিমধ্যেই সমর্থকদের আকর্ষণ করেছে। সঙ্গে রয়েছেন নেইমার, ফিরমিনহো।

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে তারা মুখোমুখি হবে সুইজারল্যান্ডের।

আরও পড়ুন: বিশ্বকাপ ২০১৮: আইসল্যান্ড

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here