francestriker-wc18

ওয়েবডেস্ক: আসন্ন বিশ্বকাপ জেতার অন্যতম দাবিদার ফ্রান্স। গ্রুপ সি-তে রয়েছে তারা। এই নিয়ে পনেরবার বিশ্বকাপের মঞ্চে আবির্ভাব হতে চলেছে ফরাসিদের। বিশ্বকাপে তাদের রেকর্ড যথেষ্ট আকর্ষণীয়। ১৯৯৮-য়ে প্রথমবার ফাইনালে ওঠে তারা। যেখানে তিন গোলের ব্যবধানে তারা হারায় তৎকালীন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে। সেই বিশ্বকাপে ফ্রান্সের জয়ের অন্যতম নায়ক ছিলেন অধিনায়ক দিদিয়ের দেশচেম্প এবং সর্বকালের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় জিনেদিন জিদান। শুধু তাই নয়, ২০০৬ সালেও জিদানের নেতৃত্বে ফাইনালে ওঠে ফ্রান্স। কিন্তু শেষমেশ ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ রাখতে ব্যর্থ হওয়ায় বিশ্বকাপ অধরাই থেকে যায় ফ্রান্সের। এ ছাড়াও, ২০০০ সালে ইউরোপ সেরা হয় তারা। তবে ঘরের মাঠে ২০১৬ সালে ইউরো ফাইনালে তারা হেরে যায় পর্তুগালের কাছে।

রাশিয়া বিশ্বকাপে তাদের ওপর নজর রাখতেই হবে। কারণ বাকিদের তুলনায় ফ্রান্স খুব ব্যালান্সড দল। কোচ দেশের প্রাক্তন বিশ্বজয়ী অধিনায়ক দিদিয়ের দেশচেম্প।

দিদিয়ের দেশচেম্পস

দলের প্রায় সব খেলোয়াড়ই ইউরোপের সেরা দলগুলিতে পেশাদারি ফুটবল খেলেন। অধিনায়ক এবং গোলকিপার হুগো লরিসের ওপর দায়িত্ব বিপক্ষের আক্রমণ আটকানো। এ ছাড়াও বার্সেলোনা এবং রেয়াল মাদ্রিদের দুই ডিফেন্ডার উমতিতি এবং ভারানের ওপর দায়িত্ব অনেকটা বেশি। অন্যদিকে মাঝমাঠে আক্রমণ তৈরি করতে মূল ভরসা ইপিএলে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড এবং চেলসির স্তম্ভ পল পোগবা এবং এনগালো কান্তে। তবে ফ্রান্সের স্ট্রাইকিং এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম সেরা। যেখানে রয়েছেন আতলেতিকো মাদ্রিদের হয়ে সদ্য ইউরোপা লিগ জেতা অ্যান্টন গ্রিজম্যান থেকে শুরু করে ফরাসি লিগের অন্যতম সেরা মুখ কাইলিয়ান এমবাপে, অলিভার জিরু।

প্রথম ম্যাচে তারা মুখোমুখি অস্ট্রেলিয়ার।

আরও পড়ুন: বিশ্বকাপ ২০১৮: ইরান

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here