Lukaku Belgium
Arunava Gupta
অরুণাভ গুপ্ত

ফাঁকা কলসি বাজে বেশি, ভরা ও রকম বাজনায় নেই। চুপচাপ কাজ করে। বেলজিয়াম কতকটা এই ঘরানার টিম, তার গর্জন ভিতরে, বাইরে ‘কুল’। যে কারণে প্রতিপক্ষ মাপতে পারে না বেলজিয়াম ভল্টে কত হিরে-জহরত আছে। অন্যতম উত্তেজক দল। দাঁড়িপাল্লায় কোথাও কম-বেশি নেই, ডিফেন্স-অফেন্স দুই-ই এক গোত্রের। বয়তা, উইটজেল, ক্যারাস কো আর অধিনায়ক ইডেন হ্যাজার্ড সঙ্গে ফরোয়ার্ড রমেলু লুকাকু ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড ক্লাবের সম্পদ। এঁদের মিলিজুলি রেসিপির ঝাঁঝ দেখে অনেকেই ক্যালকুলেট করে অনেকেই ধরে বসে আছেন সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়ন বেলজিয়াম। ছেঁদো কথা নয়, তাঁদের ঝোলায় স্বপক্ষে যুক্তিও আছে।

যেমন বেলজিয়ামের অভিজ্ঞতা ব্যাপক, প্রচুর আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছে। পরিসংখ্যান বলছে, ওঁদের ফুটবলারদের গোল সংখ্যা শতকরা ৪৫.১৩, যা প্রতিবেশী টিমগুলির কারো নেই। টিমের চূড়ান্ত সফল হওয়ার মূলে গোলদাতার পাশাপাশি গোলরক্ষকের ভূমিকাও কোনো অংশে কম নয়। এক জন নির্ভরযোগ্য দক্ষ গোলরক্ষক টিমের সম্পদ বিশেষ।

Belgium Football Team

বেলজিয়াম সে ক্ষেত্রে পিছিয়ে নেই বরং তুল্যমূল্য বিচারে তৃতীয় স্থান দখল করেছে তাদের শেষ প্রহরী এবং এবং এখনও পর্যন্ত হিসাব বলছে গোল খেয়েছেন মাত্র ০.৬। বেলজিয়ামের ফরোয়ার্ড রমেলু লকাকু নিশব্দে নিজের জাত চিনিয়ে দিয়েছেন। তাঁর নিজস্ব কুষ্ঠিতে রয়েছে, লুকাকুর গতি ঘণ্টায় ৮৬ কিমি।  শুটিংরেঞ্জ ঘণ্টায় ৮৫ কিমি, নিখুঁত পাসিং শতকরা ৭০ শতাংশ, যেন সতীর্থ ফুটবলারদের নাম বলের গায়ে লেখা থাকে, ড্রিবলিং ৭৪ শতাংশ, এরই মধ্যে নামের পাশে দুটি গোল রয়েছে। প্রথম ম্যাচে পানামার বিরুদ্ধে বেলজিয়ামের তিন গোলের মধ্যে লুকাকুর দুই গোল জ্বলজ্বল করছে। সঙ্গে ম্যান অব দ্য ম্যাচ সম্মান।

ঘটনা হল তিউনিশিয়া কিন্তু বিশ্বকাপে সংখ্যা বাড়ানোর জন্য যায়নি। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে হারলেও প্রমাণ করেছে এই ধরনের টিমগুলোও বিপক্ষের পথে কাঁটা বিছোতে ওস্তাদ। সো ভালো ফুটবল নির্ঘাত।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here