ওয়েবডেস্ক: আসন্ন বিশ্বকাপে গ্রুপ এফে-র অন্যতম আকর্ষণ সুইডেন। ইউরোপের অন্যতম হেভিওয়েট তারা। নিজেদের দিনে যে কোনো দলকে হারাতে পারে সুইডেন। ১৯৩৪ সালে প্রথমবার বিশ্বকাপে আবির্ভাব হয় তাদের। কাছে এসেও বিশ্বকাপ ফস্কাতে  হয়েছে সুইডিশদের। ১৯৫৮-য়ে রানার্স এবং ১৯৫০ ও ১৯৯৪ সালে তারা তৃতীয় স্থানে শেষ করে। এ ছাড়াও ১৯৯২ ইউরোপিয়ান কাপের সেমিফাইনালেও পৌঁছে ছিল তারা। যোগ্যতা অর্জন পর্বে ইউরোপের অন্যতম সেরা দল ছিল সুইডেন। ফ্রান্সের মতো দলকে হারায়। শুধু তাই নয়, প্লে অফে চার বারের বিশ্বকাপ জয়ী ইতালিকে ছিটকে দিয়ে, রাশিয়া বিশ্বকাপে নিজেদের স্থান পাকা করে নিয়েছে তারা। গ্রুপে দ্বিতীয় স্থানে রেখে দেয় নেদারল্যান্ডসকে।

sweden600

গত দু’টি বিশ্বকাপে তারা যোগ্যতা অর্জন করতে ব্যর্থ হলেও, রাশিয়া বিশ্বকাপে কোচ জান্নি অ্যান্ডারসনের তত্ত্বাবধানে নিজেদের সেরাটা দিতে প্রস্তুত। দলের সব খেলোয়াড়ই ইউরোপে পেশাদারি ফুটবল খেলেন। যাদের দিকে নজর থাকবে তারা হলেন রবিন ওলসেন। ডিফেন্ডার মিকাইয়ল লাস্টিগ, ভিক্টর লিন্ডেলফ। তাঁদেরকে সঙ্গ দেওয়ার জন্য থাকবেন অধিনায়ক আন্দ্রেয়াস গ্রানভিস্ট। অন্যদিকে মাঝমাঠের দায়িত্বে রয়েছেন অভিজ্ঞ এবং দলের সবথেকে চর্চিত মুখ সেবাস্টিয়ান লারসন। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন জিমি ডুরমাজও। অন্যদিকে ফরওয়ার্ডে দলের ভরসা মারকাস বারগ এবং জন গুয়েদেত্তি। এছড়া রয়েছেন দলের সবচেয়ে উদ্ভাবনী ক্ষমতাসম্পন্ন ফুটবলার এমিল ফোর্সবার্গ।

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে তারা মুখোমুখি দক্ষিণ কোরিয়ার।

আরও পড়ুন: বিশ্বকাপ ২০১৮: জার্মানি

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here