Home খেলাধুলো আইপিএল আরসিবির আইপিএল অভিযানে ইতি, কোহলিদের হারিয়ে মুম্বইকে প্লে-অফে তুলে দিল গুজরাত

আরসিবির আইপিএল অভিযানে ইতি, কোহলিদের হারিয়ে মুম্বইকে প্লে-অফে তুলে দিল গুজরাত

এই প্রথম আইপিএলে একটি ম্যাচে দু’টি আলাদা দলের হয়ে দু’জনের সেঞ্চুরি!রবিবার প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ১৯৭ রান তুলেছিল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। শতরান করেন বিরাট কোহলি। জবাবে ৬ উইকেটে জিতল গুজরাত টাইটান্স। শতরান পেলেন শুভমন গিল। শেষ ম্যাচে হেরে আরসিবির আইপিএল অভিযানে ইতি। অন্য দিকে, গুজরাত জেতার সঙ্গে সঙ্গেই প্লে-অফে উঠে গেল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স।

গুজরাতের বিরুদ্ধে টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করেছিল আরসিবি। ১৯ বলে ২৮ রান করেন ফাফ ডুপ্লেসি। ৬১ বলে অপরাজিত ১০১ রানের ইনিংস খেলেন কোহলি। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের পর এ বার গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে। রবিবার গুজরাতের বিরুদ্ধে তাঁর শতরান আসে ৬০ বলে। তাঁকে সঙ্গত দিলেন মাইকেল ব্রেসওয়েল (২৬) এবং অনুজ রাওয়াত (২৩)।

১৯৮ রান বেঙ্গালুরুর মাঠে খুব বড় স্কোর ছিল না। কিন্তু লড়াই করার মতো ছিল নিঃসন্দেহে। একা হাতে ম্যাচ বের করে আনলেন শুভমন। ৫টি চার ও ৮টি ছক্কার সাহায্যে ৫২ বলে অপরাজিত ১০৪ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলার সুবাদে ম্যাচ সেরার পুরস্কার জেতেন গুজরাত টাইটান্সের তারকা ওপেনার শুভমন। এ ছাড়াও ৩৫ বলে বিজয় শঙ্করের ৫৩ রানের ইনিংসও বেশ ঝকঝকে।

গুজরাত টাইটান্সের কাছে হেরে ১৪ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে এবারের মতো আইপিএল অভিযান শেষ করল আরসিবি। অন্য দিকে, তাদের বিদায়ের সঙ্গেই ১৪ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট সংগ্রহ করা মুম্বই ইন্ডিয়ান্স চতুর্থ দল হিসেবে প্লে-অফের টিকিট নিশ্চিত করে ফেলল।

একই দিনে হায়দরাবাদকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের চতুর্থস্থান দখল করে মুম্বই। ১৪ ম্যাচে তাদের পকেটে ১৬ পয়েন্ট। অন্য দিকে, ১৩ ম্যাচ খেলে আরসিবি ১৪ পয়েন্ট নিয়ে অবস্থান করছিল পঞ্চম স্থানে। ফলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর এবং গুজরাত টাইটান্স ম্যাচের ফলাফলের দিকেই তাকিয়ে ছিলেন রোহিত শর্মারা। গুজরাত জিততেই প্লে-অফে নিশ্চিত পাঁচ বারের আইপিএল চ্যাম্পিয়ন মুম্বই।

আরও পড়ুন: আইপিএল ২০২৩: প্লে-অফের লড়াই হবে এই চার দলের মধ্যে, জেনে নিন কোন দল কার মুখোমুখি হবে কবে

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Exit mobile version