গোটা দেশ এখন প্রবল ঠান্ডায় জবুথবু। উত্তরবঙ্গর পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গেও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পারদ ক্রমশ নামছে। শীত থেকে বাঁচতে আট থেকে আশি প্রত্যেকেই পা ঢাকছে মোজায়। একাধিক গরমবস্ত্র পরে ঠান্ডাকে ঠেকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। লেপ, কম্বল মুড়ি দিয়ে কাটাতে ইচ্ছে করছে। কিন্তু এতসব প্রতিরোধের ব্যবস্থা সত্ত্বেও ঠান্ডাকে পুরোপুরি জব্দ করা যাচ্ছে না। মোজা পরেও পা হিমশীতল থাকছে।
কেন এটা হচ্ছে?
সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পারদ নামতে শুরু করলেই শরীর প্রাকৃতিক ভাবে প্রতিরোধ তৈরি করতে শুরু করে ভেতর থেকে। গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ প্রত্যঙ্গকে রক্ষা করতে রক্ত আর গরম তাপ সেদিকে নজর রাখে। হাত ও পা সেভাবে গুরুত্ব পায় না। রক্তনালি সঙ্কুচিত হয়ে যায়। এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় “Vasoconstriction”। রক্ত সঞ্চালন কম হলে পা হিমশীতল থাকবে। টাইট ফিটিংস জুতো পরলে বা একটানা বসে বা দাঁড়িয়ে থাকলে রক্ত সঞ্চালন কম থাকে।
পা জলে ভিজে বা ঘামে ভেজা মোজা পরলে আর্দ্রতা বজায় থাকে মোজায়। পা হিমশীতল থাকে। পাতলা কাপড়ের মোজা পরলে পা হিমশীতল থাকে। স্নায়ুঘটিত, ডায়াবেটিস, পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজের সমস্যা দেখা দিলে পা হিমশীতল থাকে।
মোজা পরেও পায়ে ঠান্ডা লাগলে কোন কোন বিষয় নজর দেবেন— মোটা কাপড়ের মোজা পরবেন। লুজ একাধিক মোজা পরবেন। ভিজে গেলে মোজা পাল্টে ফেলুন। পা কিছু সময় ঈষদুষ্ণ গরম জলে ডুবিয়ে রাখুন। একটু হাঁটাহাঁটি করুন। তাহলে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক থাকে। ভিজে মেঝেতে হাঁটবেন না। পা ঢাকা জুতো বা চটি পড়বেন।
আরও পড়ুন: টাইপ টু ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সূর্যের আলোই হতে পারে গোপন অস্ত্র, বলছে নতুন গবেষণা
