চিন–ভারত সম্পর্ক উষ্ণ হওয়ার আবহের মধ্যেই সামরিক ও কূটনৈতিক স্তরে নতুন করে চাপানউতোর তৈরি হল। চিনের সরকারি সূত্রে দাবি করা হয়েছে, পাকিস্তানে রপ্তানি করা চিনা যুদ্ধবিমান জে-১০ সিই (J-10CE) প্রথমবার বাস্তব যুদ্ধে বড় সাফল্য পেয়েছে। চিনের বক্তব্য, ২০২৫ সালের মে মাসের মাঝামাঝি এক বিমানযুদ্ধে এই যুদ্ধবিমান একাধিক শত্রু বিমান গুলি করে নামিয়েছে, অথচ নিজেদের কোনও ক্ষতি হয়নি।
চিনের জাতীয় প্রতিরক্ষা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিল্প দফতরের ২০২৫ সালের ‘শীর্ষ দশ খবর’-এ এই যুদ্ধসাফল্যের উল্লেখ করা হয়েছে। পরে চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যম জানায়, ওই সংঘর্ষে ব্যবহৃত চিনা যুদ্ধবিমান কার্যকর ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক প্রমাণিত হয়েছে। পাকিস্তানই এখনও পর্যন্ত একমাত্র দেশ, যারা চিন থেকে এই ধরনের যুদ্ধবিমান পেয়েছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, এপ্রিল মাসে জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগামে জঙ্গি হামলার পর ভারত ‘অপারেশন সিন্দুর’ চালিয়ে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর ও পাকিস্তানের ভেতরে জঙ্গি ঘাঁটিতে হামলা চালায়। চারদিন ধরে পাল্টা হামলার পর সংঘর্ষবিরতি ঘোষণা হয়। ওই সময় পাকিস্তান চিনা সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহার করে ভারতের বিমান ভূপাতিত করার দাবি করেছিল। ভারত স্বীকার করেছে ক্ষয়ক্ষতির কথা, তবে সংখ্যা জানায়নি।
এই আবহেই ১২ জানুয়ারি নয়াদিল্লিতে চিনের কমিউনিস্ট পার্টি-র একটি প্রতিনিধিদল ভারতীয় জনতা পার্টি-র নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করে। ২০২০ সালের গালওয়ান সংঘর্ষের পর এই প্রথম এমন বৈঠক। আজ মঙ্গলবার চিনা প্রতিনিধি দলটি আরএসএস এবং কংগ্রেস নেতৃত্বের সঙ্গেও বৈঠক করবে।
