খবর অনলাইন ডেস্ক: দিল্লির লালকেল্লার কাছে নভেম্বরের ১০ তারিখে ঘটে যাওয়া আত্মঘাতী গাড়ি বিস্ফোরণের আগে ভয়াবহ হামলার পরিকল্পনা করেছিল ‘হোয়াইট-কলার’ সন্ত্রাস মডিউলের সদস্যরা। হামাসের মতো ড্রোন ব্যবহার করে গণহত্যার লক্ষ্যেই এই প্রস্তুতি চলছিল বলে তদন্তে জানতে পেরেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)।
এনআইএ জানিয়েছে, আত্মঘাতী জঙ্গি উমর উন নাবির সঙ্গে কাজ করা দ্বিতীয় সন্দেহভাজন জাসির বিলাল ওয়ানি ওরফে দানিশকে গ্রেফতার করা হয়েছে কাশ্মীরের শ্রীনগর থেকে। আগের দিনই দিল্লি থেকে ধরা পড়ে প্রথম সন্দেহভাজন আমির রশিদ আলি।
তদন্তকারীদের দাবি, দানিশ প্রযুক্তিগত সহায়তা দিত সন্ত্রাসী মডিউলকে। ড্রোনকে অস্ত্র হিসেবে কাজে লাগানোর জন্য পরিবর্তন করার পাশাপাশি, ছোট আকারের রকেট তৈরিরও চেষ্টা চালিয়েছিল সে। বড় ব্যাটারি বসিয়ে ভারী বিস্ফোরক বহন করতে সক্ষম ড্রোন তৈরি করাই ছিল তার প্রধান দায়িত্ব, বলে সূত্রের দাবি।
সূত্র আরও জানাচ্ছে, মডিউলটি পরিকল্পনা করেছিল জনবহুল এলাকায় একটি অস্ত্রসজ্জিত ড্রোন পাঠিয়ে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটানোর। হামাস ও সিরিয়ার যুদ্ধে ব্যবহৃত ড্রোন কৌশলের অনুকরণে এই ছক তৈরি করা হয়েছিল।
এনআইএ জানিয়েছে, ‘হোয়াইট-কলার’ সন্ত্রাসী মডিউলটি বহু দিক থেকে ছক কষছিল এবং সে সব সূত্র ধরে তদন্ত এগোচ্ছে। দানিশ অনন্তনাগ জেলার বাসিন্দা এবং আগেও ক্ষুদ্র অস্ত্রসজ্জিত ড্রোন তৈরির অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।
বিশ্বের বহু দেশই এখন ড্রোনভিত্তিক সন্ত্রাস মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিচ্ছে। ভারতও দ্রুতগতিতে অ্যান্টি-ড্রোন ইউনিট ও ড্রোন প্রতিরক্ষা কাঠামোকে শক্তিশালী করছে।
আরও পড়ুন
দিল্লি গাড়ি বিস্ফোরণ: আত্মঘাতী হামলা বলে নিশ্চিত করল এনআইএ, কাশ্মীরি যুবক গ্রেফতার
