আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ধর্ষণ মামলার শুনানিতে জাতীয় টাস্ক ফোর্স (এনটিএফ)-কে ১২ সপ্তাহের মধ্যে চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের। মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ ধার্য করা হয়েছে ২০২৫ সালের ১৭ মার্চ।
আইনজীবী বৃন্দা গ্রোভার জানান, বর্তমানে সিবিআই-এর তত্ত্বাবধানে ট্রায়াল চলছে এবং এটি আগামী সপ্তাহের মধ্যে শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আদালতকে জানানো হয় যে অভিযুক্তের ডিএনএ মিলেছে। সিবিআই তাদের স্ট্যাটাস রিপোর্টে উল্লেখ করেছে যে এই মামলায় ৪৩ জন সাক্ষীর বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে।
গত মাসে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে সিবিআই একটি চার্জশিট দাখিল করেছে। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন প্রিন্সিপাল ডা. সন্দীপ ঘোষ এবং আরও চারজন।
চার্জশিট অনুযায়ী অভিযুক্তরা হলেন আরজি কর হাসপাতালের তৎকালীন প্রিন্সিপাল ডা. সন্দীপ ঘোষ, তৎকালীন হাউস স্টাফ ডা. আশিষকুমার পাণ্ডে, ব্যবসায়ী বিপ্লব সিংহ, সুমন হাজরা এবং ক্যাফে কর্মী আফসার আলি খান।
২০২৩ সালের ৯ আগস্ট আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের সেমিনার রুমে এক মহিলা চিকিৎসকের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। ঘটনার পরপরই সঞ্জয় রায় নামে এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেফতার করে কলকাতা পুলিশ। এই ঘটনা সারা দেশে প্রতিবাদের ঝড় তোলে। সেসময়ই সিবিআই তদন্তে উঠে আসে অর্থনৈতিক দুর্নীতির বিষয়টিও। আদালতের নির্দেশে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে সিবিআই।
উল্লেখযোগ্য ভাবে, মঙ্গলবারের শুনানিতে ডিএনএ রিপোর্টের উপর জোর দেন প্রধান বিচারপতি। ডিএনএ রিপোর্ট করা হয়েছে কি না, তা জানতে চান তিনি। উক্ত পরীক্ষা হয়েছে, জানানোয় রিপোর্ট দেখতে চান প্রধান বিচারপতি খন্না। তুষার জানান, ডিএনএ রিপোর্ট মিলে গিয়েছে।
এ দিন প্রধান বিচারপতি বলেন, “ন্যাশনাল টাস্ক ফোর্স একটি ইমেইল আইডি চালু করবে। সেখানে নিজেদের দাবি কিংবা অভিযোগ থাকলে সেটা জানানোর সুযোগ পাবেন চিকিৎসকরা। সব খতিয়ে দেখে ১২ সপ্তাহ পরে আদালতে রিপোর্ট জমা দেবে এই টাস্ক ফোর্স।”
আরও পড়ুন: অটো চালকদের জন্য কেজরিওয়ালের বড় ঘোষণা, পাঁচ প্রতিশ্রুতি


