জানুয়ারি মাসে এমন তীব্র শীত কলকাতায় ২০১৩ সালে পড়েছিল। মঙ্গলবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছে ১০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে—গত ১২ বছরের মধ্যে কলকাতার তাপমাত্রা এতটা নিচে নামেনি। গত ১৫ বছরে জানুয়ারিতে মাত্র এক বারই পারদ ১১ ডিগ্রির নীচে নেমেছিল। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০.৯ ডিগ্রি, এ বার তা-ও ছাপিয়ে গেল।
মঙ্গলবার ভোরের দিকে কলকাতা ও শহরতলিতে হালকা কুয়াশার চাদর দেখা যায়। তবে সংলগ্ন জেলাগুলিতে সোমবার গভীর রাত থেকেই ঘন কুয়াশা নেমে আসে। মঙ্গলবার ভোরে শহরতলি ও আশপাশের এলাকায় দৃশ্যমানতা কমে যায় কুয়াশার কারণে। কোথাও কোথাও তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রিরও নীচে নেমে যাওয়ার খবর মিলেছে।
আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহে কলকাতা-সহ গাঙ্গেয় দক্ষিণবঙ্গে আরও ২ ডিগ্রি পর্যন্ত রাতের তাপমাত্রা কমতে পারে। বুধবার ও বৃহস্পতিবার এই পারদপতনের সম্ভাবনা বেশি। এরপরের ৪–৫ দিন তাপমাত্রার বড় হেরফের না হলেও দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় ৩–৫ ডিগ্রি কম থাকতে পারে।
মঙ্গলবার দুই বর্ধমান, বাঁকুড়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ার কিছু অংশে ‘শীতল দিন’-এর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। বুধবার বাঁকুড়া বাদে বাকি জেলাগুলিতেও একই পরিস্থিতি বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায় ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
উত্তরবঙ্গেও আগামী কয়েক দিন প্রায় সব জেলাতেই ঘন কুয়াশা থাকতে পারে। ভোরের দিকে কুয়াশার দাপটে দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। দুই দিনাজপুর ও মালদহে ‘শীতল দিন’-এর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।
আপনার এলাকায় কত কমেন্টে জানান


