Homeখবরদেশসংকটে কংগ্রেস সরকার, 'ট্রাবলশুটার'কে হিমাচলে পাঠাল কংগ্রেস

সংকটে কংগ্রেস সরকার, ‘ট্রাবলশুটার’কে হিমাচলে পাঠাল কংগ্রেস

প্রকাশিত

হিমাচলপ্রদেশ রাজ্যসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থীর জয়ের পর সংকটে সুখবিন্দর সিং সুখুর কংগ্রেস সরকার। বিরোধী দলনেতা জয়রাম ঠাকুর বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বলেছেন যে নির্বাচনের ফলাফলের সঙ্গেই সুখু সরকার রাজ্য় শাসন করার নৈতিক অধিকার হারিয়েছে। এ দিন রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাত করে মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিংহ সুখুর বিরুদ্ধে আস্থাভোটের দাবি জানিয়েছে বিজেপি।

মঙ্গলবার হিমাচলপ্রদেশের রাজ্যসভা আসনের ভোটে বিজেপির প্রার্থী হর্ষ মহাজনের কাছে হারতে হয়েছে কংগ্রেসের আইনজীবী নেতা তথা পশ্চিমবঙ্গ থেকে নির্বাচিত প্রাক্তন রাজ্যসভা সাংসদ অভিষেক মনু সিঙ্ঘভিকে। ৬৮ সদস্যের বিধানসভায় দু’পক্ষই ৩৪টি করে ভোট পাওয়ায় লটারির মাধ্যমে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয় হিমাচলে। সেখানে রাজ্যসভার একটি আসনে সরাসরি লড়াই ছিল শাসক কংগ্রেস এবং বিরোধী দল বিজেপির। কংগ্রেসের ছ’জন-সহ অন্তত ন’জন বিধায়কের ক্রস ভোটিংয়ের জেরেই এই ফলাফল বলে অভিযোগ।

পরিস্থিতি ঘোরাল হয়ে উঠতেই ইতিমধ্যে কংগ্রেস, ডিকে শিবকুমার এবং ভূপেন্দ্র সিং হুডাকে হিমাচলপ্রদেশে পর্যবেক্ষক হিসাবে নিযুক্ত করেছে এবং তাঁদের হিমাচলে পাঠিয়েছে। ডিকে শিবকুমার এর আগে ‘ট্রাবলশুটার’ হয়ে কংগ্রেসকে সমস্যা থেকে উদ্ধার করেছেন বহুবার। ২০১৮ সালে কর্নাটকের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি বা কংগ্রেস, কোনো দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। ওই নির্বাচনে সবচেয়ে বড় দল হিসেবে উঠে এসেছিল বিজেপি। যদিও সংখ্যাগরিষ্ঠতার পিছনে ছিল বিজেপি। ডিকে শিবকুমারের রাজনৈতিক দক্ষতা এবং কৌশলের কারণে, কংগ্রেস এবং জেডিএস থেকে একজনও বিধায়ক পক্ষ পরিবর্তন করতে পারেননি, যে কারণে বিজেপির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ইয়েদিউরাপ্পার সরকার গঠন স্থগিত হয়ে যায়।

শুধু তাই নয়, গুজরাতের রাজ্যসভা নির্বাচনে অহমেদ পটেলকে জয়ী করতেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। অহমেদ পটেলকে রাজ্যসভায় পাঠানোর দায়িত্ব নিয়ে, গুজরাত কংগ্রেসের সমস্ত ৪৪ বিধায়ককে বেঙ্গালুরুতে তাঁর রিসোর্টে পাঠিয়েছিলেন। যে কারণে একজন বিধায়কও পক্ষ পরিবর্তন করতে পারেননি। এখন দেখার, হিমাচলপ্রদেশে কংগ্রেস সরকার বর্তমানে যে বিপদের মুখে পড়েছে, সেখান থেকে দলকে টেনে তুলতে তিনি সফল হন কি না!

এ দিকে, ছয় কংগ্রেস বিধায়ক রাজ্যসভার নির্বাচনে বিজেপির পক্ষে ভোট দেওয়ারপরেই শুরু উঠেছে মুখ্যমন্ত্রী বদলের দাবি। শোনা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখু পৌঁছে গিয়েছেন হোটেল সিসলিতে, সেখানে তিনি দেখা করবেন কংগ্রেস নেতা রাজীব শুক্লা ও ভূপেশ বাঘেলের সঙ্গে। সূত্রের খবর, হিমাচলের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে উপ-মুখ্যমন্ত্রী মুকেশ অগ্নিহোত্রীর নাম প্রস্তাব করেছেন কয়েকজন কংগ্রেস বিধায়ক৷।প্রায় ১২ জন বিধায়ক বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে বিশেষ ভাবে খুশি নন। তাঁরা কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে নিজেদের বিরক্তির কথা প্রকাশ করেছেন। তাঁরা দাবি করেছেন, মুখ্যমন্ত্রীকে যেন বদল করা হয়।

আরও পড়ুন: শাহজাহানের দ্রুত গ্রেফতারি চেয়ে রাজ্যকে চিঠি রাজ্যপালের!

সাম্প্রতিকতম

হাইকোর্টে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার রায়, কে কী বললেন?

সোমবার নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় রায় প্রকাশের পর মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন, তিনি চাকরিহারাদের পাশে আছেন। আদালের এই রায়ের নেপথ্যে তিনি বিজেপির হাত দেখছেন।

২০১৬-র নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল, হাইকোর্টের নির্দেশে চাকরি গেল প্রায় ২৬ হাজারের

কলকাতা: রাজ্য সরকার পোষিত ও সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলগুলিতে ২০১৬ সালে রাজ্যস্তরের পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ করা...

তাপপ্রবাহের শেষে কালবৈশাখী, কিন্তু কলকাতা, হাওড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগণা আদৌ বৃষ্টি পাবে তো?

শ্রয়ণ সেন পূর্ব ভারতের ইতিহাস বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস বলে টানা কুড়ি দিন কখনো তাপপ্রবাহ...

২০২২ সালে আমেরিকার নাগরিকত্ব পেলেন ৬৬ হাজারেরও বেশি ভারতীয়, বিশ্বের মধ্যে দ্বিতীয়

মার্কিন জনগণনা ব্যুরোর আমেরিকান কমিউনিটি সার্ভের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে আনুমানিক ৪ কোটি ৬০ লক্ষ বিদেশী বংশোদ্ভূত ব্যক্তি সে দেশে বসবাস করেছেন, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মোট ৩৩ কোটি ৩০ লক্ষ জনসংখ্যার প্রায় ১৫ শতাংশ।

আরও পড়ুন

টাকা নিয়ে যোগশিক্ষা, দেননি পরিষেবা কর, অবিলম্বে মিটিয়ে দিতে রামদেবের সংস্থাকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

সময়টা ভাল যাচ্ছে না যোগগুরুর। আগে বিভ্রান্তি কর বিজ্ঞাপন দেওয়া জন্য সুপ্রিম কোর্টের রোষে...

দূরদর্শনের লোগো হল গেরুয়া, প্রতিবাদ মমতার, ভোটের সময় কেন? কমিশনের হস্তক্ষেপ দাবি

শনিবার সমাজ মাধ্যমে মমতা লিখেছেন, 'নির্বাচনের সময় হঠাৎ লোগোর গেরুয়াকরণে আমি স্তম্ভিত।

জার্মানি, সুইৎজারল্যান্ডে নেই, ভারতের সেরেল্যাকে অত্যধিক চিনি, তদন্তের নির্দেশ

এ নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক রিপোর্ট সামনে আসার সঙ্গে  তৎপর হল কেন্দ্র। ইতিমধ্যে নেসলে কোম্পানির শিশুখাদ্য নিয়ে তদন্ত শুরু করছে  স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের অধীন খাদ্য সুরক্ষা নিয়ন্ত্রক (এফএসএসএআই)।