দেশ, বিদেশ ও রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ খবরের আপডেট পেতে নজর রাখুন খবর অনলাইনের লাইভ আপডেটের পাতায়। সর্বশেষ ঘটনাটি সবচেয়ে ওপরে দেখা যাবে।
অযোধ্যার রামমন্দিরে ধ্বজারোহণ অনুষ্ঠানে ভারতকে ‘বিকশিত ভারত’-এর পথে এগিয়ে নেওয়ার সংকল্প ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। স্বাধীনতার শতবর্ষ পূর্তির আগেই অর্থাৎ ২০৪৭ সালের মধ্যেই রামরাজ্যের আদলে উন্নত ভারত গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়েছেন বলে জানান তিনি।
মঙ্গলবার পুণ্য অভিজিৎ-মুহূর্তে রামরাজ্যের প্রতীকস্বরূপ বিশালাকার পতাকা স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থায় উত্তোলন করেন মোদী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন RSS প্রধান মোহন ভাগবত, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং রাজ্যপাল আনন্দীবেন পটেল।
ধ্বজারোহণের পর আবেগতাড়িত ভাষণে মোদী বলেন, “আজ সারা পৃথিবী রামময়। শতাব্দীর ক্ষত আজ পূরণ হল।” তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে, রামমন্দিরের ধ্বজা ভারতীয় সভ্যতার নবজাগরণের প্রতীক—সঙ্কল্প, সাফল্য, সামাজিক সম্প্রীতি ও ভেদাভেদহীন সমাজের প্রতিচ্ছবি।
মোদী জানান, গত ১১ বছরে নারী, দলিত, আদিবাসী, কৃষক ও যুবকদের বিকাশের কেন্দ্রে রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে এমন ভারত গড়ার লক্ষ্যে এগোচ্ছেন, যেখানে দারিদ্র ও দুঃখ থাকবে না, আর উন্নয়ন পৌঁছবে সমাজের প্রতিটি স্তরে।
দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে টানা দু’দিনে দু’টি চিঠি পাঠানোর পর তৃণমূলের সঙ্গে বৈঠকে রাজি হল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যসভায় দলনেতা ডেরেক ও’ ব্রায়েন দেখা করার আবেদন জানানোয় কমিশন পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দলকে আগামী ২৮ নভেম্বর সকাল ১১টায় দিল্লির সদর দফতরে আলোচনার জন্য ডাকেছে। প্রতিনিধিদের নামের তালিকাও জমা দিতে বলা হয়েছে।
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া নিয়ে বারবার আপত্তি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ — পরিকল্পনাহীন ভাবে এসআইআর চালানোর ফলে দুই বুথ লেভেল অফিসারের মৃত্যু ও অসুস্থতার ঘটনা ঘটেছে। পাশাপাশি, এক হাজার ডেটা এন্ট্রি অপারেটর নিয়োগের প্রস্তাব এবং বেসরকারি ভবনকে ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের ভাবনা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। মমতার মতে, এসব সিদ্ধান্ত নিরপেক্ষতার পরিপন্থী এবং বিশেষ রাজনৈতিক দলকে সুবিধা করে দিতে পারে।
