Home খবর Live এসআইআর নিয়ে চিঠির লড়াই: মমতার পর মুখ্য নির্বাচনী কমিশনারকে পাল্টা চার পাতা...

এসআইআর নিয়ে চিঠির লড়াই: মমতার পর মুখ্য নির্বাচনী কমিশনারকে পাল্টা চার পাতা চিঠি শুভেন্দুর

শুভেন্দু অধিকারী

দেশ, বিদেশ ও রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ খবরের আপডেট পেতে নজর রাখুন খবর অনলাইনের লাইভ আপডেটের পাতায়। সর্বশেষ ঘটনাটি সবচেয়ে ওপরে দেখা যাবে।

20 Nov 2025, 23:05
মুখ্য নির্বাচনী কমিশনারকে পাল্টা চার পাতা চিঠি শুভেন্দুর

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া ঘিরে রাজনীতিতে তীব্র চাপানউতোর। বৃহস্পতিবার দুপুরে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে এসআইআর স্থগিতের অনুরোধ জানিয়ে তিন পাতার চিঠি দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ—বিএলওদের উপর অতিরিক্ত চাপ, দু’জন বিএলও–র মৃত্যু, মানুষের হেনস্থা এবং আলু তোলার মরসুমে এই প্রক্রিয়া চাপিয়ে দেওয়া।

সন্ধ্যা হতেই মমতার চিঠিকে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করে চার পাতার পাল্টা চিঠি পাঠান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দুর দাবি—এসআইআর সঠিকভাবে না হলে শুধু স্বচ্ছ নির্বাচনই নয়, ভারতের গণতন্ত্রও বিপন্ন হবে। তিনি চিঠিতে হাই কোর্টের রায়ে মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন। অভিযোগ করেন, “মমতার রাজনীতির ধরন হল নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ‘চুরি’ করা।”

শুভেন্দুর দাবি, বিএলওদের অর্থ বৃদ্ধি সংক্রান্ত ফাইল রাজ্যের অর্থ দফতরই আটকে রেখেছে। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ ভুয়ো ভোটার ধরে রাখার স্বার্থে এসআইআর প্রক্রিয়াকে বিকৃত করার চেষ্টা। তিনি আরও বলেন, গত তিন মাস ধরে মুখ্যমন্ত্রী বিএলওদের রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত করার বার্তা দিচ্ছেন—যা কমিশনের নির্দেশ পালনে বাধা তৈরি করছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগারওয়ালকে ঘিরে মমতার দুর্নীতির অভিযোগও তুলে ধরেছেন তিনি।

এসআইআর ঘিরে এই চিঠির লড়াইয়ে রাজ্যের রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

20 Nov 2025, 16:57
এসআইআর স্থগিতের অনুরোধ মুখ্যমন্ত্রীর

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া স্থগিত করার দাবি জানিয়ে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ—এসআইআর প্রক্রিয়া পরিকল্পনাহীন, কাঠামোগতভাবে ত্রুটিপূর্ণ এবং বিপজ্জনক। পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ নেই, প্রয়োজনীয় নথি নিয়েও অস্পষ্টতা রয়েছে। এর ফলে বিএলওদের উপর অযথা চাপ সৃষ্টি হচ্ছে এবং তাঁদের শারীরিক-মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি হচ্ছে।

ডুয়ার্সের নিউ গ্লেনকো চা বাগানের বিএলও শান্তিমুনি ওঁরাও-এর আত্মহত্যার প্রসঙ্গ টেনে মুখ্যমন্ত্রী জানান—এই অতিরিক্ত কাজের চাপই দুঃখজনক ঘটনার কারণ। তিনি আরও বলেন, ধান কাটার মরসুমে এসআইআর চালানো সম্পূর্ণ অযৌক্তিক এবং সাধারণ মানুষের উপরও মানসিক চাপ তৈরি করছে।

মমতার দাবি, অবিলম্বে এসআইআর স্থগিত করে সময়সীমা, প্রক্রিয়া ও প্রশিক্ষণ—সব কিছু পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। অন্যদিকে বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার বলেন, সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশনই; প্রয়োজন হলে তারাই সময় বাড়াবে।

20 Nov 2025, 14:58
বিল অনুমোদনে রাষ্ট্রপতি–রাজ্যপালের জন্য সময়সীমা বেঁধে দেওয়া যাবে না: সুপ্রিম কোর্ট

সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বিচারপতির সংবিধান বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিল—বিল অনুমোদনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালের ওপর কোনও সময়সীমা চাপিয়ে দেওয়া আদালতের পক্ষে সম্ভব নয়। আদালত বলেছে, সংবিধানের আর্টিকেল ২০০ ও ২০১ ইচ্ছাকৃতভাবেই নমনীয় রাখা হয়েছে, তাই কোনও বিচারিক সময়সীমা আরোপ করা সংবিধানবিরোধী।
এই রায় রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর একটি প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে, যেখানে তিনি জানতে চেয়েছিলেন—তামিলনাড়ু মামলার মতো কি আদালত সময়সীমা নির্ধারণ করতে পারে?
বেঞ্চ বলেছে, রাষ্ট্রপতি বা রাজ্যপালের সিদ্ধান্ত আদালতে খতিয়ে দেখা যাবে না—তবে দীর্ঘদিন ধরে কোনও পদক্ষেপ না নিলে, সেই নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে আদালত সীমিত বিচারিক পর্যালোচনা করতে পারে।
আদালত আরও বলেছে, বিচার বিভাগ এক্সিকিউটিভ ফাংশন দখল করতে পারে না। সংবিধানের তিন অঙ্গ—বিধানসভা, নির্বাহী ও বিচার বিভাগের পারস্পরিক ভারসাম্য রক্ষা করতেই এই রায় গুরুত্বপূর্ণ।

20 Nov 2025, 12:32
দশমবার বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ

বিহারে ঐতিহাসিক জয়ের পর রেকর্ড গড়ে দশমবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন জনতা দল (ইউনাইটেড) নেতা নীতীশ কুমার। বৃহস্পতিবার সকালে পাটনার ঐতিহাসিক গাঁধী ময়দানে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এই সঙ্গে তিনি আবারও স্পষ্ট করে দিলেন—বিহার রাজনীতিতে তাঁর প্রভাব ও টিকে থাকার ক্ষমতা এখনও অটুট।
গত সপ্তাহের বিধানসভা নির্বাচনে অসাধারণ ফল করেছে জেডিইউ–বিজেপি নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ)। ২৪৩ আসনের মধ্যে এনডিএ জিতেছে ২০২টি আসন। তার মধ্যে জেডিইউ একাই পেয়েছে ৮৫টি আসন। বিশাল এই জয়ের ওপর ভিত্তি করেই নতুন সরকার গঠন করলেন নীতীশ কুমার।
গাঁধী ময়দানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান কার্যত শক্তি প্রদর্শনের রাজনৈতিক মঞ্চে পরিণত হয়। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলির মুখ্যমন্ত্রীরা এবং এনডিএ-শাসিত রাজ্যগুলির শীর্ষ নেতারা। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডুও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব বলেন, “বিহার আবারও উন্নয়নের পথে। মোদীজির আশীর্বাদে এবং সু-শাসনের মাধ্যমে রাজ্য আরও এগোবে।”

NO COMMENTS

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Exit mobile version