Homeখাওয়াদাওয়াদূর্গাপুজোতে লাঞ্চ কিংবা ডিনারে স্পেশাল কী খাবেন ভাবছেন? একবার ঢুঁ মারতে পারেন...

দূর্গাপুজোতে লাঞ্চ কিংবা ডিনারে স্পেশাল কী খাবেন ভাবছেন? একবার ঢুঁ মারতে পারেন কলকাতার এই হোটেলগুলিতে

প্রকাশিত

কলকাতার সব নামকরা হোটেলগুলি দূর্গাপুজো উপলক্ষে পুরোনো খোলস ছেড়ে সেজে উঠেছে আলোর মালায়। দূর্গাপুজো থিমের সঙ্গে সাজুয্য রেখে থাকছে বিশেষ মেনু। কী নেই সেই তালিকায়।

তাজ বেঙ্গল, কলকাতা-

পুজো স্পেশাল মহাভোজের সব রকমেরই আয়োজন রাখছে কলকাতার আইকনিক হোটেলগুলিতে। হোটেল তাজ বেঙ্গল, কলকাতা থেকে সোনারগাওনে পেয়ে যাবে হরেক রকমের পুজো স্পেশাল মেনু।

১। সোনারগাওন-

সোনারগাওনে ১৭-২৪ অক্টোবর লাঞ্চ ও ডিনারে থাকছে বিশেষ মেনু।


আমিষ থালি-


আমিষ থালিতে পেয়ে যাবেন গন্ধরাজ লেবুর ঝোল, ঝুরি আলু ভাজা, ভেজিটেবল চপ, মাছের মাথা দিয়ে মুগ ডাল, গোটা মশলার খাসির মাংস আরও অনেক রকমের মেনু থাকছে আমিষ থালি।
আমিষ থালি খেতে খরচ পড়বে ৩৪৫০ টাকা ও ট্যাক্স আলাদা।

নিরামিষ থালি-


নিরামিষ থালিতে রয়েছে বিভিন্ন রকমের সুস্বাদু পদ। গন্ধরাজ লেবুর ঝোল, ঝুরি আলু ভাজা, নারকেল পোস্ত বড়া, ধোকার ডালনা, ডালের কচুরি, ছানার জিলাপি ইত্যাদি।
খরচ পড়বে ২৯৫০ টাকা। কর আলাদা।

সিফুড থালি-
এই থালিতে পাবেন বিভিন্ন ধরনের পুজো স্পেশাল মেনু। কাসুন্দি মাছের কাটলেট, দই কাতলা, পটলের কোর্মা, আমের চাটনি ইত্যাদি।
এই পদগুলি খাওয়ার খরচ পড়বে ৩৭৫০ টাকা।
সিট বুকিং-এর জন্য যোগাযোগ নম্বর- ৯৮৩১৩০৫০৫৭

২। চিনোসেরি-

চিনোসেরিতে বিভিন্ন রকমের সুস্বাদু পদ পেয়ে যাবেন। চাইনিজের মধ্যে রয়েছে পুজো স্পেশাল পদ।
লাঞ্চের সময়- ১২:৩০-৩:৩০ টে
ডিনারের সময়- ৭-১১ টে

নিরামিষ থালি খাওয়ার খরচ পড়বে ৪০০০ টাকা। এবং আমিষ থালি খাওয়ার খরচ পড়বে ৪৫০০ টাকা।
সিট বুকিং-এর জন্য যোগাযোগ নম্বর- ৯৮৩১৩০৫০৫৭

৩। ক্যাল ২৭-


২১-২৪ অক্টোবর ক্যাল ২৭-এ লাঞ্চ ও ডিনারে থাকছে বিশেষ মেনু।
লাঞ্চ ও ডিনারের খাওয়ার খরচ পড়বে ৩২০০-৩৯৫০ টাকা।
যোগাযোগ- ৯৮৩১৩০৫০৫৭

৪। সৌউক-


সৌউক-এ পুজো স্পেশাল বিভিন্ন ধরনের মেনুর আয়োজন করা হয়েছে।
লাঞ্চের সময়- ১২:৩০-৩:৩০ টে
ডিনারের সময়- ৭-১১ টে
নিরামিষ থালি খাওয়ার খরচ পড়বে ৩৫০০ টাকা।
আমিষ থালি খাওয়ার খরচ পড়বে ৪৫০০ টাকা।

যোগাযোগ- ৯৮৩১৩০৫০৫৭

দ্য সিটি সেন্টার নিউ টাউন, কলকাতা-

দ্য সিটি সেন্টার নিউ টাউনে শুরু হয়েছে পুজো স্পেশাল বিভিন্ন ধরনের পদের আয়োজন। পরিবার থেকে বন্ধুর সাথে খেতে আসার সবথেকে ভালো স্থান দ্য সিটি সেন্টার নিউ টাউন।

১। সামিনিয়া-


শারদীয়ার মহাভোজে রয়েছে এপার বাংলা ও ওপার বাংলার বিভিন্ন ধরনের পদ।
ঠাকুরবাড়ির ভেজিটেবল কাটলেট, মুর্শিদাবাদ চিকেন বিরিয়ানি, ফুলকপির রোস্ট, ঢাকাই নবাবি পোলাও ইত্যাদি।
খাওয়ার খরচ পড়বে ২২০০ টাকা। এবং ট্যাক্স আলাদা।
সিট বুকিং-এর জন্য যোগাযোগ নম্বর- ৬২৯২২৮৮৫৬৩

২। উইকিকি-


উইকিকিতে পুজো স্পেশাল মেনুতে থাকছে ভেজিটেবেলস ডাম্পলিং, চিকেন টাফেল সুই মই, ওক টসড স্মোকড চিলি নুডলস ইত্যাদি।
যোগাযোগ- ৬২৯২২৮৮৫৬৩

৩। উইকিকি বিয়ার গার্ডেন-


পুজোতে এখানে থাকছে মদ্যপানের ব্যবস্থা। এছাড়া সঙ্গে থাকছে বিভিন্ন রকমের মেনু।
দু’জনের খেতে খরচ পড়বে ২৯৯৯ টাকা।
সিট বুকিং-এর জন্য যোগাযোগ নম্বর-৬২৯২২৮৮৫৬৩

৪। এম্পেরের লং-

২০-২৪ অক্টোবর এম্পেরের লং-এ থাকছে বিশেষ মেনু। কিউকাম্বার স্যান্ডউইচ থেকে ভেজ কারি পাফ, বেলজিয়াম ডার্ক চকোলেট কেক ও চা, কফি উইথ কুকিজ ইত্যাদি পেয়ে যাবেন।
দু’জনের খেতে খরচ পড়বে ৯৫০ টাকা।

সিট বুকিং-এর জন্য যোগাযোগ নম্বর- ৬২৯২২৮৮৫৬৩

ভিভান্তা কলকাতা ইএম বাইপাস-


এই বছরের পুজোকে স্মরণীয় করে রাখতে ভিভান্তার হেঁশেলে আয়োজন করা হয়েছে পুজো স্পেশাল রকমারি মেনু।

১। মিন্ট ফেস্টিভ বাফেট-


২০-২৪ অক্টোবর এখানে লাঞ্চ ও ডিনারের মেনুতে থাকছে ফুচকা, তেলেভাজা রোল, মোচার শামি কাবাব, মসুর ডালের পাতুরি, হাঁসের ডিমের মৌলি, পাটিসাপটা ইত্যাদি।
খাওয়ার খরচ- ৩৫০০-১২০০ টাকা।
সিট বুকিং-এর জন্য যোগাযোগ নম্বর- ৬২৯২২৭৪০০৩/ ৬৬৬৫৩১৩৩

২। উইঙ্ক-


২০-২৪ অক্টোবর উইঙ্কে বেভারেজ প্যাকেজের মধ্যে আমিষ ও নিরামিষের বিভিন্ন রকমের পদ থাকছে। খাওয়ার খরচ পড়বে ১৩৯৯ টাকা।
যোগাযোগ নম্বর- ৬২৯২২৭৪০০৩/ ৬৬৬৫৩১৩৩

৩। শ্রীল-


২০-২৪ অক্টোবর শ্রীল-এ পেয়ে যাবেন মাছের চপ, শিঙারা, ভেজিটেবেল পেটি, ক্ষীরের চপ ইত্যাদি। খাওয়ার খরচ পড়বে ৮০০ টাকা। কর আলাদা।

যোগাযোগ নম্বর- ৬২৯২২৭৪০০৩/ ৬৬৬৫৩১৩৩

রাজকুটির কলকাতা-আইএইচসিএল সিলেকশন-

রাজকুটিরে পুজো স্পেশাল অথেন্টিক মেনু পেয়ে যাবেন।

১। রাসমঞ্চ (বেনকোয়েট)-রাজবাড়ির ভুরিভোজ-

এখানে লাঞ্চ ও ডিনারে থাকছে রাজকীয় বিভিন্ন রকমের পদ। মাছ ভাজা, আলু ভাজা, কলমি শাক ভাজা থেকে সোনা মুগ ডাল, মটন ডাক বাংলো, বাসন্তী পোলাও, শক্তিগড়ের ল্যাংচা ইত্যাদি।
খাওয়ার খরচ- ১৭৯৯-৮৯৯ টাকা
সিট বুকিং-এর জন্য যোগাযোগ নম্বর- ৬২৮৯৪৬১৯৭২

২। ইস্ট ইন্ডিয়া রুম-


১৬-২৪ অক্টোবর ইস্ট ইন্ডিয়া রুমে পেয়ে যাবেন স্পেশাল যেসব মেনুগুলি। ফুলকো লুচি, কষা মুরগি, চিংড়ি মালাই কারী, আমসত্তের চাটনি ইত্যাদি।
সিট বুকিং-এর জন্য যোগাযোগ নম্বর- ৬২৮৯৪৬১৯৭২

৩। দ্য সুইগ-দুর্গোৎসব আনলিমিটেড


১৬-২৪ অক্টোবর দুপুর ১২:৩০ থেকে রাত ৮:৩০ পর্যন্ত পুজো স্পেশাল বিভিন্ন রকমের প্যাকেজ পাবেন সুস্বাদু সব ধরনের মেনুতে।
খাওয়ার খরচ- ৯৯৯ টাকা।
সিট বুকিং-এর জন্য যোগাযোগ নম্বর- ৬২৮৯৪৬১৯৭২

৪। দ্য সুইগ-অ্যাডেড ওয়ান


১-২৩ অক্টোবর দুপুর ১২:৩০ থেকে রাত ১১:৩০ পর্যন্ত স্পেশাল সব মেনু থাকছে দ্য সুইগ-অ্যাডেড ওয়ানে।

সিট বুকিং-এর জন্য যোগাযোগ নম্বর- ৬২৮৯৪৬১৯৭২

খাওয়াদাওয়ার আরও রেসিপি জানতে নজর রাখুন খবর অনলাইন

সাম্প্রতিকতম

২৫ দিন পর বাড়ি ফিরে এলেন ‘তারক মেহতা…’র ‘নিখোঁজ’ অভিনেতা গুরুচরণ সিং  

খবর অনলাইন ডেস্ক: দিনপঁচিশেক ‘বেপাত্তা’ পর বাড়ি ফিরে এলেন হিন্দি সিরিয়ালের অভিনেতা গুরুচরণ সিং।...

মৃণাল সেনের ‘কোরাস’ এবং কিছু কথা

পঙ্কজ চট্টোপাধ্যায় না, তখনও তার গ্র‍্যাজুয়েশন শেষ হয়নি। নামমাত্র বোধহয় দুটো টিউশনি করে সে, মানে...

বিজেপিতে বড় ভাঙন! বিদায়ী সাংসদ যোগ দিলেন তৃণমূলে

ঝাড়গ্রাম: রবিবার আনুষ্ঠানিক ভাবে তৃণমূলে যোগ দিলেন ঝাড়গ্রামের বিদায়ী সাংসদ কুনার হেমব্রম। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের...

রাহুল, রাজনাথ, স্মৃতি ইরানির ভাগ্য নির্ধারিত হবে পঞ্চম দফার ভোটে, নজর আর কোন কোন কেন্দ্রের দিকে  

খবর অনলাইন ডেস্ক: সোমবার ২০ মে লোকসভা নির্বাচনের পঞ্চম দফায় যাঁদের ভাগ্য নির্ধারিত হচ্ছে...

আরও পড়ুন

নবমীতে বানাতে পারেন মালাই ইলিশ, খুব সহজে কীভাবে বানাবেন জেনে নিন

দোরগোড়ায় টোকা মারছে পুজো। পুজোর ফ্যাশন-লিস্টে ড্রেস-জুয়েলারির লেটেস্ট ট্রেন্ডি কালেকশন কেনা হয়ে গেছে। কোন দিন কোনটা পরে কোন প্যান্ডেলে যাওয়া হবে, তৈরি হয়ে গেছে সেই গাইডলাইনও। তবে শুধু সাজগোজ ছাড়াও পেটপুজোর কথাও মাথায় রাখতে হবে। নবমীর দিন স্পেশাল কী মেনু  বানাবেন বরং জেনে নিন।

ষষ্ঠীর দিনে পাতে রাখতে পারেন ছানার রসার সুস্বাদু পদটি, কীভাবে বানাবেন জেনে নিন

আর মাত্র কয়েকটা দিন বাকি। তারপরেই বাঙালির শ্রেষ্ঠ উত্‍সবে মেতে উঠবে সকলেই। দুর্গাপুজোকে ঘিরে ছোট থেকে বড় সকলেই এই পুজোর দিন গুলো আনন্দে কাটাতে চান। পুজোর এই পাঁচটা দিন বাড়িতেই কী কী রান্না করবেন জেনে নিন।  

রথযাত্রায় কীভাবে বাড়িতে বানাবেন মিষ্টি জিবে গজা? জেনে নিন

আষাঢ় মাসের শুক্লাপক্ষের দ্বিতীয় তিথিতে রথযাত্রা পালিত হয়। রথের দিন নিয়ম মেনে কচিকাচারা ছোট ছোট রথ রাস্তায় বের করে। রথের দড়ি টানাকে কেন্দ্র করে গ্রাম থেকে শহরে সর্বত্র এক আলাদা উদ্দীপনা রয়েছে।